Somoy News BD

২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

১২ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হবে- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কোরবানি শেষ হওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

উপদেষ্টা আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট ও কাঁচা চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান।

উপদেষ্টা বলেন, কোরবানি ঈদের সময় তিন দিনব্যাপী কোরবানি চলে৷ এর মধ্যে প্রথম দিনে প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ গরু বা কোরবানির পশু কোরবানি করা হয়ে যায়৷ বাকি দুই দিনে বাকি ৫-১০ শতাংশ কোরবানি করা হয়ে থাকে৷ জনগণের দুর্ভোগ নিরসন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দ্রুত করার স্বার্থে কোরবানি শেষ হওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ করা হবে। এ বিষয়ে দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সভাকে কথা দিয়েছেন। এজন্য সকল প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, এ বছর গরুর হাটের হাসিল কমানো সম্ভব হয়নি, ৫ শতাংশ হাসিল অনেক বেশি। তবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি যাতে আগামী বছর থেকে হাসিল ৩ শতাংশের বেশি না হয়৷ তিনি বলেন, এবার ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে ২০ টি কোরবানির হাটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷ এসব হাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখার জন্য হাট প্রতি কমপক্ষে ৭০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। তিনি আরও বলেন, কোরবানির হাটে পশু চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে কোনো অসুস্থ গরু বা পশু বিক্রি হতে না পারে৷ তাছাড়া অনেকেই গরুর হাটে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে, সেজন্যও চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷ প্রতিটি হাটে নিয়োজিত দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এটির বন্দোবস্ত করবে৷ উপদেষ্টা বলেন, কোরবানির পশুর গাড়িগুলো কোনো অবস্থায় রাস্তায় নামানো যাবে না। এর জন্য প্রত্যেক হাটে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং স্থানটি রাস্তা থেকে অনেক দূরে থাকতে হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে প্রতি বছর অনেক চামড়া নষ্ট হয়৷ তিনি বলেন, আমরা চাই বিক্রেতারা চামড়ার নায্য মূল্য পাক৷ চামড়ার ন্যায্যমূল্য গরীবের হক৷ চামড়াগুলো সাধারণত বিভিন্ন গরীব মানুষকে, এতিমখানায়, মাদ্রাসায় দিয়ে দেয়া হয়৷ কিন্তু তারা এটার ন্যায্য মূল্য পান না৷ তারা যাতে চামড়ার নায্য মূল্য পায় সে ব্যবস্থা করা হয়েছে৷

ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মোঃ খোদা বখস চৌধুরী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman