Somoy News BD

৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় নারীর পূর্ণ অংশগ্রহণ জরুরী__শারমীন এস মুরশিদ।

মোঃআশরাফুল আলম
ঢাকা,৯ অক্টোবর ২০২৫ :
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় নারীর পূর্ণ অংশগ্রহণ হোক, দলীয়
কাঠামোর প্রতিটি স্তরে নারীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হোক। তিনি বলেন, আমরা এমন এক ভবিষ্যত বাংলাদেশ চাই যেখানে নারী শুধু ভোটার নন, আন্দোলনের অগ্রসৈনিক নন বরং সংসদীয় নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রীয় শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারে। নারীশক্তির জাগরণই একটি নারী নির্যাতন মুক্ত সমাজ গড়তে পারে।

তিনি আজ ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম আয়োজিত জাতীয় রাজনীতিতে নারীর অর্থপূর্ণ প্রতিনিধিত্বের দাবিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠিত সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি রাশেদা কে চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি, শ্যামা ওবায়েদ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিসহ, বিএনপি , বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ,এনসিপি, এবি পার্টি, দলিত সংগঠন, নারী আন্দোলন, নাগরিক সমাজ, শ্রমজীবী নারী নেটওয়ার্ক, বিভিন্ন পেশাজীবী, সংস্কৃতি কর্মী, শিক্ষার্থী নারীদের সম্মিলিত প্লাটফর্মের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়াসহ সারা বিশ্বে নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ৬৫% মেয়েরা জুলাই যোদ্ধা হিসেবে নেতৃত্বে এসেছে। ২০২৫ সালে এসে এই অগ্রগামী যাত্রাকে ধর্ম বা পিতৃতন্ত্রের বেড়ি পরিয়ে পেছন দিকে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা অযৌক্তিক ও অন্যায্য। তিনি বলেন , বাংলাদেশের নারীরা সাধারণভাবে ধর্মপ্রাণ, আবার একই সঙ্গে সকল পেশায় সুযোগ পেলেই তারা একইরকম পারদর্শিতার প্রমাণ রাখেন । ইসলামসহ কোন ধর্ম কখনোই নারীর প্রতি বৈষম্যকে সমর্থন করে না, তাই ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা ব্যবহার করে নারীকে পশ্চাৎপদ রাখার চেষ্টাও আজকের দিনে দুঃখজনক। বাংলাদেশের নারী পুরুষ সমানতালে যেমন অর্থনীতির চাকাকে এগিয়ে নিচ্ছেন, নেতৃত্বের অঙ্গনেও সুযোগ পেলে নারীরা তাদের যোগ্যতা ও শ্রেষ্ঠত্ব একইভাবে প্রমাণ করবে।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হতে হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনকালীন প্রতিটি ধাপে নারীদের অংশগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা এবং অর্থনৈতিকভাবে নির্বাচনী ব্যয় বহন করা। তাহলে নির্বাচনে অনেক মেয়েরা অংশ নিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Related Articles

সড়ক নিরাপত্তায় ব্যয়ের সুফল নিশ্চিত করতে হবে: শেখ রবিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সড়ক নিরাপত্তায় বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও নেওয়া প্রকল্পগুলোর সুফল কতটা পাওয়া যাচ্ছে, তা মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং

আরও পড়ুন

মতিঝিল বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৭৫

মোহাম্মদ আব্দুল গাফফারঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগ বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৭৫ জনকে গ্রেফতার

আরও পড়ুন

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ (রবিবার)

আরও পড়ুন

মহাখালী টার্মিনালের অপেক্ষমাণ বাস পূর্বাচল ডিপোতে স্থানান্তরে ডিএমপি ট্রাফিকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় দীর্ঘসময় অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকা বাসগুলো পূর্বাচলের অস্থায়ী বাস ডিপোতে স্থানান্তরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman