Somoy News BD

২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

জিগাতলায় চাঞ্চল্যকর আলভি হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে হাজারীবাগ থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর হাজারবাগের জিগাতলা এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে চাঞ্চল্যকর আলভি হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির  হাজারীবাগ থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মোঃ রায়হান (২০) ২। মোঃ হাবিবুর রহমান মুন্না (২৬) ৩। সমতি পাল (২৩)  ও ৪। কাউসার (২১)। ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

হাজারীবাগ থানা সূত্রে জানা যায়, নিহত সামিউর রহমান খান আলভী হাজারীবাগ থানার ৪২/জি, মনেশ্বর রোডে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। তিনি ড. মালেকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। গত ১৬ মে ২০২৫ খ্রি. সামিউর তার তিন বন্ধু মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোঃ জাকারিয়া এবং মোঃ ইসমাঈল হোসেনের সঙ্গে ধানমন্ডি লেক পাড়ের একটি রেস্টুরেন্টে অবস্থান করছিলেন। এ সময়  গ্রেফতারকৃতরাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাদেরকে কৌশলে হাজারীবাগ থানাধীন জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ২১/১ বাসার সামনে নিয়ে গিয়ে গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা সামিউর ও তার বন্ধুদের  শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরি ও চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সামিউরকে  একই তারিখ রাত ৯:০৫ ঘটিকায় মৃত ঘোষণা করেন। সামিউরের তিন বন্ধু বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় মোঃ সামিউল রহমান খান আলভীর বাবা মোঃ মশিউর রহমান খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাজারীবাগ থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়।

থানা সূত্রে আরও জানা যায়, মামলা রুজুর পর বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ, নিবিড় তদন্ত ও প্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ১৮ মে ২০২৫ খ্রি. বিকাল ৫:০০ ঘটিকায় মোঃ রায়হানকে ও ১৯ মে ২০২৫ খ্রি. দুপুর ৩:০০ ঘটিকায় সমতি পালকে হাজারীবাগের মধুবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। অতঃপর ২১ মে ২০২৫ খ্রি. রাত আনুমানিক ১২:৩০ ঘটিকায় ধানমন্ডি লেক বাগানবাড়ি এলাকা থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান মুন্না ও কাউসারকে গ্রেফতার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃরা সামিউর রহমান খান আলভীকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হত্যা করেছে মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। ১৫ মে ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ০৯:০০ ঘটিকায় মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে বাগানবাড়ী লেক এ ভিকটিম ও তার বন্ধুদের সাথে গ্রেফতারকৃত আসামিদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।  এর জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

<spগ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত পলাতক অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Related Articles

৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকার চলতি ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন ধান, ১২ লক্ষ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লক্ষ মেট্রিক

আরও পড়ুন

ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ঢাকা ও গাজীপুরে শিল্পাঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও বেতন-বোনাস নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: শিল্পাঞ্চলে দুষ্কৃতিকারীদের দমনের নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ঢাকা ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের সার্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সুশৃঙ্খলভাবে পরিশোধের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আরও পড়ুন

মিতব্যয়িতার অনন্য নজির: বাসে গাজীপুর গেলেন মন্ত্রী, এমপি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে শিল্পাঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সুশৃঙ্খলভাবে পরিশোধ নিশ্চিত করতে বুধবার গাজীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়

আরও পড়ুন

শিল্প মন্ত্রীর সাথে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। বুধবার (২২ এপ্রিল ) শিল্প মন্ত্রণালয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman