Somoy News BD

২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশের মানুষ একটি বাস্তব পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছে। একটি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এখন দেশের মানুষের একটাই প্রত্যাশা—তারা আর অন্যায় দেখতে চায় না; তারা চায় একটি সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ।

আজ সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর টুলিপাড়া ফান টাউনে মানবকল্যাণে নিবেদিত সংগঠন ‘বিবেক’-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করছেন। তিনি সবসময় একটি বিষয়েই গুরুত্ব দেন আর তা হলো সততা। কারণ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ সৎ নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।

তিনি বলেন, দেশ পরিচালনা হোক বা কোনো অঞ্চলের প্রশাসনিক দায়িত্ব—সব ক্ষেত্রেই সৎ, দক্ষ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব অপরিহার্য। ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও যোগাযোগের দিক থেকে কুমিল্লা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরেই এর অবস্থান। তাই কুমিল্লাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে দক্ষ প্রশাসক এবং ভবিষ্যতে একজন যোগ্য মেয়রের প্রয়োজন।

নবনিযুক্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, তার মতো একজন মানুষ কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেছেন-এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা কুমিল্লায় যেন এমন সৎ, মেধাবী ও মানবিক মানুষের আরও জন্ম হয়।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় ইউসুফ মোল্লা টিপু ও তার প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘বিবেক’-এর মানবিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মহামারির সেই কঠিন সময়ে যখন অনেকেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভয় পেয়েছিল, তখন টিপু ও তার সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল। জীবন ঝুঁকির মধ্যেও তারা মানবসেবা করেছে। টিপু ও তার সংগঠনের সদস্যরা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজা, দাফন-সৎকারসহ নানা মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য হাজ্বী মোঃ জসিম উদ্দিনসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারে রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বাজার প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ প্রবাহ জোরদার করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজার–আলীকদম–বান্দরবানকে Bay of Bengal International Green Tourism Capital” ঘোষণার প্রস্তাবে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ “বিদেশে আর নয় টাকা পাচার, আর নয় বেগমপাড়ায় বাড়ি; দেশেই বিনিয়োগ, দেশেই উন্নয়ন” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে কক্সবাজার–আলীকদম–বান্দরবান অঞ্চলকে “Bay of Bengal

আরও পড়ুন

কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের উপকূলীয় ও নদীমাতৃক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জনবল বর্তমান ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার

আরও পড়ুন

তথ্যমন্ত্রীর সাথে সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন ও প্রেস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজ পেপার প্রেস ওয়ার্কার্সের একটি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman