Somoy News BD

২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশের মানুষ একটি বাস্তব পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছে। একটি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এখন দেশের মানুষের একটাই প্রত্যাশা—তারা আর অন্যায় দেখতে চায় না; তারা চায় একটি সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ।

আজ সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর টুলিপাড়া ফান টাউনে মানবকল্যাণে নিবেদিত সংগঠন ‘বিবেক’-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করছেন। তিনি সবসময় একটি বিষয়েই গুরুত্ব দেন আর তা হলো সততা। কারণ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ সৎ নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।

তিনি বলেন, দেশ পরিচালনা হোক বা কোনো অঞ্চলের প্রশাসনিক দায়িত্ব—সব ক্ষেত্রেই সৎ, দক্ষ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব অপরিহার্য। ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও যোগাযোগের দিক থেকে কুমিল্লা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরেই এর অবস্থান। তাই কুমিল্লাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে দক্ষ প্রশাসক এবং ভবিষ্যতে একজন যোগ্য মেয়রের প্রয়োজন।

নবনিযুক্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, তার মতো একজন মানুষ কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেছেন-এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা কুমিল্লায় যেন এমন সৎ, মেধাবী ও মানবিক মানুষের আরও জন্ম হয়।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় ইউসুফ মোল্লা টিপু ও তার প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘বিবেক’-এর মানবিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মহামারির সেই কঠিন সময়ে যখন অনেকেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভয় পেয়েছিল, তখন টিপু ও তার সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল। জীবন ঝুঁকির মধ্যেও তারা মানবসেবা করেছে। টিপু ও তার সংগঠনের সদস্যরা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজা, দাফন-সৎকারসহ নানা মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য হাজ্বী মোঃ জসিম উদ্দিনসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনীতি,

আরও পড়ুন

মিরপুর বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ১১৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman