Somoy News BD

২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

৬৭২টি শূন্য পদে মেধার ভিত্তিতে ক্যাডার সার্ভিসে সুপারিশের দাবি ‘বঞ্চিতদের’

মঞ্জুর: ৩৪তম বিসিএসে কোটাব্যবস্থার কারণে সংরক্ষণ করে রাখা ৬৭২টি শূন্য পদে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধার ভিত্তিতে নির্বাহী আদেশে নিয়োগের সুপারিশের দাবি জানিয়েছে ৩৪তম বিসিএস ক্যাডার বঞ্চিত ফোরাম।  শনিবার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।  সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ‘৩৪তম বিসিএস কোটা বৈষম্যের শিকার ক্যাডার বঞ্চিত ফোরামের’ আহ্বায়ক ডা. মো. তফিজুল ইসলাম, সদস্য জামিলুর রহমান ও সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা বলেন, ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা কোটা বৈষম্যের শিকার। পিএসসির গত ২০১৩ সালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সব ধাপে কৃতকার্য ৮ হাজার ৭৬৩ জন প্রার্থী থেকে পিএসসি ২ হাজার ১৫৯ জনকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে সুপারিশ করে।  তাঁরা আরও বলেন, অবশিষ্ট ৬ হাজার ৫৮৪ জন প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়ার পরেও ক্যাডার পদে সুপারিশ করা হয়নি। অথচ ৩৫টি ক্যাডার পদে কোটার জন্য ৬৭২টি পদ সংরক্ষণপূর্বক শূন্য রাখা হয়। এই পদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগে প্রধান উপদেষ্টার কাছে আবেদন জানাচ্ছি। তাঁরা জানান, ৩৪তম বিসিএসের আগে ৩৩তম এবং পরের ৩৫তম, ৩৬তম এবং ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে কোনো ধরনের কোটা সংরক্ষণ করা হয়নি এবং কোটার শূন্য পদে উত্তীর্ণ প্রার্থী থেকে মেধা অনুযায়ী পূরণ করা হয়। তাই ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারে কোটা সংরক্ষণ করা অত্যন্ত বৈষম্যমূলক। তাঁরা আরও বলেন, ‘গত ২০১৬ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ৩৪তম বিসিএসের প্রাধিকার কোটায় সংরক্ষণ নীতি শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয় কিন্তু ৬৭২টি শূন্য পদ ৩৫তম বিসিএস থেকে পূরণের আদেশ দেওয়া হয়, যা বৈষম্যমূলক এবং তৎকালীন সরকারের স্বৈরাচারী চিন্তার সুস্পষ্ট প্রতিফলন। আমরা এই বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছি।’  নির্বাহী আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক আদেশটি বাতিল করার দাবি জানান বঞ্চিতরা। এ সময় তারা নির্বাহী আদেশে ৩৪তম বিসিএসে কোটার জন্য সংরক্ষিত ৬৭২টি শূন্য ক্যাডার পদে বৈষম্যের শিকার উত্তীর্ণ প্রার্থীদের থেকে মেধার ভিত্তিতে সুপারিশ করার দাবি জানান।

Related Articles

৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকার চলতি ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন ধান, ১২ লক্ষ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লক্ষ মেট্রিক

আরও পড়ুন

ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ঢাকা ও গাজীপুরে শিল্পাঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও বেতন-বোনাস নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: শিল্পাঞ্চলে দুষ্কৃতিকারীদের দমনের নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ঢাকা ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের সার্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সুশৃঙ্খলভাবে পরিশোধের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আরও পড়ুন

মিতব্যয়িতার অনন্য নজির: বাসে গাজীপুর গেলেন মন্ত্রী, এমপি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে শিল্পাঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সুশৃঙ্খলভাবে পরিশোধ নিশ্চিত করতে বুধবার গাজীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়

আরও পড়ুন

শিল্প মন্ত্রীর সাথে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। বুধবার (২২ এপ্রিল ) শিল্প মন্ত্রণালয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman