Somoy News BD

১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধানের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করতে হবে- আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক ছাত্র নেতাদের নেতৃত্বে ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতান্ত্রিক জুলুমবাজ হাসিনা সরকারের পতনের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা হয়েছে। বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের পথ পরিষ্কার হয়েছে। বিপ্লবী ছাত্র নেতাদের বৈষম্য বিরোধী চেতনার সাথে ঐক্যমত পোষণ করে তিনি বলেন, বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধানের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করতে হবে। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন হলেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে, বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন হবে এবং সকল ধর্মের লোকেরা শান্তিপূর্ণভাবে যার যার ধর্ম পালন করতে পারবে। ‘ইসলামী সমাজ’ এর উদ্যোগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মাদ ইয়াছিন এর সঞ্চালনায় গতকাল ৬ আগস্ট, মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের উপায়” বিষয়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী সমাজের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র সকলের। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন- বিধান দিয়ে রাষ্ট্র গঠিত হলেই রাষ্ট্র সকলের জন্য কল্যাণকর হবে। তিনি বলেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী নেতাদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং আলকুরআনের আইন-বিধানের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে এই সংবিধানের ভিত্তিতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে সফল বিপ্লবের ফলাফল ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হবে। তিনি দেশবাসী সকলকে লুট-পাট অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর বন্ধ করার জন্য পাড়ায় মহল্লায় কমিটি গঠন করে দায়িত্ব পালন করার আহবান জানান। তিনি সাহসী বিপ্লবী ছাত্র নেতাসহ বিপ্লবী জনতাকে ধন্যবাদ জানান এবং আন্দোলনে আহত ও নিহত লোকদের শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী সমাজের কেন্দ্রীয় নেতা, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, আজমুল হক, আসাদুজ্জামান বুলবুল, মোঃ নুরুদ্দিন, আবু বকর সিদ্দিক, সাইফুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান সহ আরো অন্যান্য নেতাকর্মীগণ ।

Related Articles

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার”: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি

আরও পড়ুন

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, বাড়বে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (IPPA)’ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড

আরও পড়ুন

মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য

আরও পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman