Somoy News BD

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধানের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করতে হবে- আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক ছাত্র নেতাদের নেতৃত্বে ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতান্ত্রিক জুলুমবাজ হাসিনা সরকারের পতনের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা হয়েছে। বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের পথ পরিষ্কার হয়েছে। বিপ্লবী ছাত্র নেতাদের বৈষম্য বিরোধী চেতনার সাথে ঐক্যমত পোষণ করে তিনি বলেন, বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধানের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করতে হবে। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন হলেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে, বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন হবে এবং সকল ধর্মের লোকেরা শান্তিপূর্ণভাবে যার যার ধর্ম পালন করতে পারবে। ‘ইসলামী সমাজ’ এর উদ্যোগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মাদ ইয়াছিন এর সঞ্চালনায় গতকাল ৬ আগস্ট, মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “বৈষম্য মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের উপায়” বিষয়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী সমাজের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র সকলের। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন- বিধান দিয়ে রাষ্ট্র গঠিত হলেই রাষ্ট্র সকলের জন্য কল্যাণকর হবে। তিনি বলেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী নেতাদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং আলকুরআনের আইন-বিধানের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে এই সংবিধানের ভিত্তিতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে সফল বিপ্লবের ফলাফল ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হবে। তিনি দেশবাসী সকলকে লুট-পাট অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর বন্ধ করার জন্য পাড়ায় মহল্লায় কমিটি গঠন করে দায়িত্ব পালন করার আহবান জানান। তিনি সাহসী বিপ্লবী ছাত্র নেতাসহ বিপ্লবী জনতাকে ধন্যবাদ জানান এবং আন্দোলনে আহত ও নিহত লোকদের শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী সমাজের কেন্দ্রীয় নেতা, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, আজমুল হক, আসাদুজ্জামান বুলবুল, মোঃ নুরুদ্দিন, আবু বকর সিদ্দিক, সাইফুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান সহ আরো অন্যান্য নেতাকর্মীগণ ।

Related Articles

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে ——- অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভিত্তি প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে পিকেএসএফ-এর রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং

আরও পড়ুন

শ্রম আইন বাস্তবায়নের উপর বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভরশীল– মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট

আরও পড়ুন

এলজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলারুশের অনাবাসিক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman