Somoy News BD

১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে শহিদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার প্রথম ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই প্রথম গণহত্যা শুরু হয়েছিল এবং এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এই গণহত্যার খবর পেয়েই চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরবর্তীতে ২৭শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন। একেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ বলে অভিহিত করেন। শহিদদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুলিশ বাহিনীর রক্তদানই স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার সূচনা।

মন্ত্রী আরো বলেন, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে আজ তিনিও সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি রাজারবাগে আসেন। দীর্ঘ কয়েক বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ শুরু হওয়াকে তিনি আনন্দের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শহিদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দেশে নতুনভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে।

ভারত থেকে ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের হস্তান্তরের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। বন্দি বিনিময় চুক্তি (Extradition Treaty) অনুযায়ী তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীকে আরো সমৃদ্ধ ও আধুনিক করতে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্রের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাথে গতকাল এ বিষয়ে ফলপ্রসূ কথা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম সহ বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে ডিএমপির নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। আসন্ন বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ডিএমপির

আরও পড়ুন

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সবচেয়ে বড় উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২২৮৪টি। যাতে অধ্যয়ন করছে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা

আরও পড়ুন

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ০৮

আরও পড়ুন

প্রশংসায় ভাসছেন আশুলিয়া থানার ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সফল পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রুবেল হাওলাদার।পেশাদারিত্ব আর মানব সেবাই যার একমাত্র ব্রত।পেশাগত দায়িত্ব পালন তিনি ঈর্ষণীয় সাফল্যের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman