Somoy News BD

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

আশুলিয়ায় সিনিয়াটেক্সের এমডির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ প্রতিনিধি, আশুলিয়াঃ
১কোটি ১০লক্ষ টাকা পাওনা আদায়ের দাবিতে সিনিয়াটেক্স এর এমডি রবিউল ইসলাম বেলালের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান শম্পা বেগমের সংবাদ সম্মেলন।
বৃহস্পতিবার(১৯সেপ্টম্বর) বিকেলে আশুলিয়ার নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সিনিয়াটেক্স এর চেয়ারম্যান শম্পা বেগম।
এ সময় শম্পা বেগম জানান, ২০২১ইং সালের ১লা জানুয়ারি থেকে আশুলিয়ার হাবিব ক্লিনিক এর পাশে পলাশবাাড়ি এলাকায় সিনিয়াটেক্সএ ৬০লক্ষ টাকা দিয়ে ২০শতাংশ শেয়ার বিনিয়োগ করি এবং সিনিয়াটেক্স এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করি, আমার বেতন ৬০হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয় বিগত দিনে সিনিয়াটেক্স এর এমডি রবিউল ইসলাম আমাকে সামান্য কিছু  টাকা পয়সা দিতো কিন্তু তাতে আমার সংসার চলতো না। আমার বিনিয়োগকৃত টাকার কোন লভ্যাংশও সে দেয়নি, আমি তার কাছে টাকা চাইলে তিনি নানা রকম তালবাহানা করেন,এবং সে রংপুরের ডা.ওয়াজেদ ও  শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়ের চাচাতো ভাই হাজী শরিফ কে ৫শতাংশ শেয়ার দিয়ে তাদের আওয়ামীলীগের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখাতো। রবিউল ইসলাম বেলাল নিজেও রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার মিঠিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মানব সম্পদ সম্পাদক হিসেবে স্ব-পদে বহাল আছেন।  গত ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনে আওয়ামীলীগ ক্ষমতা হারানোর পর আমি গত ১৩ই সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার পলাশ বাড়িতে সিনিয়াটেক্স এ যাই আমার পাওনাদি চাইতে, এ সময় সিনিয়াটেক্স এর এমডি রবিউল ইসলাম বেলাল আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল দেয় ও চড় থাপ্পর মেরে ধাক্কাতে ধাক্কাতে চার তলা থেকে নিচে নামিয়ে দেয়।সে তখন  আমাকে নানা রকম  হুমকি দিতে থাকে আর বলে, কোন দিন টাকার বিষয়ে ঐখানে গেলে আমাকে জানে মেরে ফেলবে।এ বিষয়ে আমি আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
আর আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আপনাদের কাছে আমি সাহায্য চাই আপনারা আপনাদের মিডিয়ায় প্রকাশ করুন, আমার ন্যায্য পাওনা শেয়ারের মূল টাকা, লভ্যাংশ ও মাসিক বেতন বাবদ ১কোটি ১০ লক্ষ টাকা টাকা ফেরত চাই। আমি আমার তিনটি বাচ্চা নিয়ে খুবই কষ্টে জীবন যাপন করছি। খেয়ে না খেয়ে আমাদের দিন কাটছে,আমার ছেলেটা অসুস্থ্য, ডাক্তার বলেছে তাকে বাহিরে নিয়ে চিকিৎসা করতে। তাই আমার টাকা গুলো ফেরৎ চাই।

Related Articles

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে ——- অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভিত্তি প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে পিকেএসএফ-এর রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং

আরও পড়ুন

শ্রম আইন বাস্তবায়নের উপর বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভরশীল– মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট

আরও পড়ুন

এলজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলারুশের অনাবাসিক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman