Somoy News BD

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজার–আলীকদম–বান্দরবানকে Bay of Bengal International Green Tourism Capital” ঘোষণার প্রস্তাবে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
“বিদেশে আর নয় টাকা পাচার, আর নয় বেগমপাড়ায় বাড়ি; দেশেই বিনিয়োগ, দেশেই উন্নয়ন” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে কক্সবাজার–আলীকদম–বান্দরবান অঞ্চলকে “Bay of Bengal International Green Tourism Capital” হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। গ্রীন পলিসি মুভমেন্টের আহ্বায়ক মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু) প্রণীত এ সংক্রান্ত একটি বিস্তৃত স্মারকলিপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অগ্রহায়ণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্মারক নম্বর ০৫.৪২.২০০০.০০০.০১১.২১.০০০৯.২৪.৯৭, তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০২৬ অনুযায়ী প্রস্তাবনাটি এখন উচ্চ পর্যায়ে বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্মারকলিপিতে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিশন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্বাহী উপদেষ্টা এবং সেনাপ্রধান পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে চেয়ারম্যান করার সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশনে সংশ্লিষ্ট আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও রয়েছে।

কমিশনের অধীনে প্রস্তাবিত কমিটিসমূহের মধ্যে রয়েছে:
আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়, ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট, পরিবেশ ও সবুজায়ন, অর্থনীতি ও বিনিয়োগ, আইটি ও স্মার্ট সিটি উন্নয়ন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) সংক্রান্ত কমিটি।

প্রস্তাবনায় আন্তর্জাতিক মানের একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ, পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা, স্মার্ট সিটি উন্নয়ন এবং ডিজিটাল প্রশাসন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এছাড়া “স্বপ্নের বাড়ি, স্বপ্নের গ্রাম, স্বপ্নের গ্রীন সিটি” কর্মসূচির মাধ্যমে আধুনিক আবাসন ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।

প্রস্তাবিত উন্নয়নের প্রধান দিকসমূহ:

আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, মিডিয়া সেন্টার ও শপিং কমপ্লেক্স স্থাপন

আধুনিক ট্যুরিজম জোন ও ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়ন

কক্সবাজার–আলীকদম–বান্দরবান–চট্টগ্রাম পর্যটন রেলপথ নির্মাণ

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ

৬-লেন সড়ক ও নদীপথে পর্যটন লঞ্চ চালু

শিক্ষা খাতে গুচ্ছভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা চালু, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, মহিলা গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে “এক উপজেলা এক পণ্য” ও “এক উপজেলা এক পর্যটন” কর্মসূচি গ্রহণ, ব্লু ইকোনমি উন্নয়ন এবং পাহাড়ি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার–আলীকদম–বান্দরবান অঞ্চল আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে।

Related Articles

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে ——- অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভিত্তি প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে পিকেএসএফ-এর রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং

আরও পড়ুন

শ্রম আইন বাস্তবায়নের উপর বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভরশীল– মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট

আরও পড়ুন

এলজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলারুশের অনাবাসিক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman