Somoy News BD

২১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

নতুন সংগঠন “কুরআন পাঠ আন্দোলন”-এর আত্মপ্রকাশ

মঞ্জুর:সমাজের সর্বস্তরে মাতৃভাষায় কুরআন পাঠকে ছড়িয়ে দিতে এবং জনপ্রিয় করার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে “কুরআন পাঠ আন্দোলন” নামে একটি নতুন সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। গতকাল ৩১ আগস্ট শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইনউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই সংগঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। সংগঠনের আহবায়ক আবু সাঈদ খান বলেন, সত্যিকার বিশ্বাসীদের কুরআন পাঠ থেকে দূরে সরে যাওয়ার সুযোগে এক শ্রেণির সুযোগসন্ধ্যানী মানুষ বহুমাত্রিক মিথ্যা প্রচারণার ফায়দা নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কুরআন সম্পর্কে অধিকতর সম্যক ধারণা যখন ব্যাপকভাবে সমাজে ব্যাপ্তিলাভ ঘটবে, তখন সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্র- সম্প্রীতি-সম্ভাব বৃদ্ধি পাবে; বৃহত্তর বন্ধন তৈরি হবে। মানবাধিকার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কুরআনের কঠোর বার্তা তুলে ধরার পাশাপশি মানুষকে সৃষ্টি করে আল্লাহ তাদের যে বাক- স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস বা অবিশ্বাস পোষণ করার স্বাধীনতা দিয়েছেন, সেটিও তিনি কুরআন থেকে তুলে ধরেন। সংগঠনের রূপরেখা এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে আহবায়ক আবু সাঈদ খান বলেন যে, সারাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্য থেকে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে – যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও আছেন। মাঠ পর্যায়ে কুর আন-পাঠ জনপ্রিয়করণ সংক্রান্ত বহুবিধ গুণগত কাজ করার মধ্য দিয়ে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে একটি কার্যকরী · স্থায়ী কমিটি গঠনের দিকে সংগঠনটি এগিয়ে যাবেবলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ‘কুরআন পাঠ নিয়ে কেন আন্দোলন করতে হবে’ এমন এক প্রশ্নের জবাবে সংগঠনের আহবায়ক বলেন, ‘আন্দোলন এখানে সামাজিক আন্দোলন অর্থে ব্যবহৃত, যেখানে কুরআনের বিষয়ে অধিক সংখ্যক মানুষের মধ্যে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও বৃদ্ধিকল্পে বহুমুখী গণমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সদস্য সচিব মু. মোশাররফ হোসাইন সংগঠন পরিচিত তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আমরা কুরআন সচেতনতা আমরা লক্ষ্য করছি। এইসব প্রক্রিয়াকে একটি সম্মিলিত ও সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের অধীনে এনে কুরআন পাঠের এই চলমান ধারাকে একটি সুসংগঠিত আন্দোলনে রূপ দেয়ার মহতী লক্ষ্য নিয়ে “কুরআন পাঠ আন্দোলন”-এর সূচনা। সংগঠনের উপদেষ্টা মেজর (অবঃ) আলমগীর হোসেন সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনা করে বলেন, আমরা কেবল কুরআন পাঠে উদ্বুদ্ধকরণের অত্যন্ত মৌলিক ও প্রাথমিক কাজটি এই সংগঠনের মাধ্যমে করতে চাই; কোন ফতোয়া প্রদান বা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, জীবন-যাপনের পন্থা পদ্ধতি বাতলে দেয়া আমাদের কাজ নয়; বরং মানুষ যখন কুরআন পাঠকে অভ্যাসে পরিণত করবে তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেই করআন থেকে তার জন্য জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সক্ষমতা অর্জন করবে। আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা জনাব সৈয়দ ওয়ালিউল আলম,জনাব মুরাদ বিন আমজাদ যুগ্মআহবায়ক নজরুল ইসলাম,কেএম শাহরিয়ার ফরচুন, সদস্য শহিদুল্লাহ মজুমদার প্রমুখ।

Related Articles

ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-১।

আরও পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

মোঃআশরাফুল আলম: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আজ বিকেলে গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার বিকেল ৩টার

আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নিকারের সভা অনুষ্ঠিত

মোঃআশরাফুল আলমঃ আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিবে তাঁর বাসভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের

আরও পড়ুন

গণভোটের লক্ষ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার -অধ্যাপক আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ফ্যসিবাদের নিষ্পেষণে জর্জরিত রাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। আর সেই সংস্কারের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman