Somoy News BD

১১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, সহকারী  শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও শতভাগ  পদোন্নতির দাবি

মঞ্জুর:
২৮ জুন ২০২৫ইং শনিবার সকাল ১১ টায়,২২/১, তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু  কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও শতভাগ পদোন্নতির দাবিতে  এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ারুল  ইসলাম তোতা।সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন বাংলাদেশ  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সভাপতি মো.জুলফিকারআলী।স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে এবং শিক্ষকদের  সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যৌক্তিক এবং যুগোপযোগী  দাবি মেনে নিতে আপনাদের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন  সরকারের আন্তরিক সুদৃষ্টি কামনা করছি।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক  বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড প্রদানের জন্য  উচ্চ আদালতে রীট করেন। রীট নং- ৩২১৪/২০১৮।রায়ের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৮ মে ২০২৫ খ্রি: বাদী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকসহ বাকী ৬৫৫২৪ জন প্রধান শিক্ষককে ১০ম গ্রেড ও গেজেটেড মর্যাদা  প্রদানের জন্য অর্থ সচিব মহোদয়কে পত্র প্রেরণ করেন।কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় রীট নং-৩২১৪/২০১৮ এর আলোকেশুধুমাত্র রীটকারী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষককে ১০ম গ্রেড ওগেজেটেড মর্যাদা প্রদানের জন্য গত ১৯ জুন ২০২৫ খ্রি:প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করেন।এতে বাকী ৬৫৫২৪ জন প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।যা মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অন্তরায়সৃষ্টি হবে।দাবিসমূহ : ৪. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান  শিক্ষক পদকে ১০ম গ্রেডের মর্যাদা প্রদান করতে হবে।৫. সকল সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড এবং ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে।৬. সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে শতভাগ  পদোন্নতি প্রদান করতে হবে।কর্মসূচি : ৩. ১৬/০৭/২০২৫.খ্রি: বিকাল ৫টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।৪. ৩০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষকমহাসমাবেশ ও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার  কর্মবিরতি ঘোষণা।আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  তরিকুল ইসলাম, এম.এম ইউসুফ, আরিফ দেওয়ান,  ফজলুর রহমান, জহুরুল ইসলাম, জাহিদ রাব্বানী,  শিমুল, ফরহাদ হোসেন, আজিজুল ইসলাম, তোফাজ্জলহোসেন, আরাফাত, সেলিনা আখতার, জুলফিকার  রহমান, শফিকুল ইসলাম চাঁদ, মীর মহিবুর, আফছার আলী, হেলাল উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, সামসুল হক মাতব্বর প্রমুখ ।

 

Related Articles

আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে: উপজেলা নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের

আরও পড়ুন

নারীদের সামনে রেখেই আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান

আরও পড়ুন

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্যে অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman