Somoy News BD

২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, সহকারী  শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও শতভাগ  পদোন্নতির দাবি

মঞ্জুর:
২৮ জুন ২০২৫ইং শনিবার সকাল ১১ টায়,২২/১, তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু  কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও শতভাগ পদোন্নতির দাবিতে  এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ারুল  ইসলাম তোতা।সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন বাংলাদেশ  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সভাপতি মো.জুলফিকারআলী।স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে এবং শিক্ষকদের  সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যৌক্তিক এবং যুগোপযোগী  দাবি মেনে নিতে আপনাদের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন  সরকারের আন্তরিক সুদৃষ্টি কামনা করছি।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক  বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড প্রদানের জন্য  উচ্চ আদালতে রীট করেন। রীট নং- ৩২১৪/২০১৮।রায়ের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৮ মে ২০২৫ খ্রি: বাদী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকসহ বাকী ৬৫৫২৪ জন প্রধান শিক্ষককে ১০ম গ্রেড ও গেজেটেড মর্যাদা  প্রদানের জন্য অর্থ সচিব মহোদয়কে পত্র প্রেরণ করেন।কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় রীট নং-৩২১৪/২০১৮ এর আলোকেশুধুমাত্র রীটকারী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষককে ১০ম গ্রেড ওগেজেটেড মর্যাদা প্রদানের জন্য গত ১৯ জুন ২০২৫ খ্রি:প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করেন।এতে বাকী ৬৫৫২৪ জন প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।যা মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অন্তরায়সৃষ্টি হবে।দাবিসমূহ : ৪. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান  শিক্ষক পদকে ১০ম গ্রেডের মর্যাদা প্রদান করতে হবে।৫. সকল সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড এবং ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে।৬. সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে শতভাগ  পদোন্নতি প্রদান করতে হবে।কর্মসূচি : ৩. ১৬/০৭/২০২৫.খ্রি: বিকাল ৫টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।৪. ৩০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষকমহাসমাবেশ ও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার  কর্মবিরতি ঘোষণা।আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  তরিকুল ইসলাম, এম.এম ইউসুফ, আরিফ দেওয়ান,  ফজলুর রহমান, জহুরুল ইসলাম, জাহিদ রাব্বানী,  শিমুল, ফরহাদ হোসেন, আজিজুল ইসলাম, তোফাজ্জলহোসেন, আরাফাত, সেলিনা আখতার, জুলফিকার  রহমান, শফিকুল ইসলাম চাঁদ, মীর মহিবুর, আফছার আলী, হেলাল উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, সামসুল হক মাতব্বর প্রমুখ ।

 

Related Articles

শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ডিএমপিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিএমপিতে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১:০০

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী বিপুল সম্ভাবনার প্রতীকঃ শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী বিপুল সম্ভাবনার প্রতীক। সেই সম্ভাবনাকে দক্ষ

আরও পড়ুন

স্ত্রীকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করল স্বামী, অভিযুক্ত স্বামী আটক

হিরক খান,মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ প্রেম নয়, তালাক দেওয়াকে কেন্দ্র করে কলেজছাত্রী স্মৃতি খাতুনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে সায়ন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে, হামলায়

আরও পড়ুন

অনলাইনে হেরোইন তৈরির কাঁচামালের অবাধ বিক্রয়: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকদ্রব্যের গতানুগতিক সরবরাহ ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মাদক সংশ্লিষ্ট নিত্যনতুন ঝুঁকি পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে নিয়মিত পদক্ষেপ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman