Somoy News BD

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, সহকারী  শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও শতভাগ  পদোন্নতির দাবি

মঞ্জুর:
২৮ জুন ২০২৫ইং শনিবার সকাল ১১ টায়,২২/১, তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু  কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও শতভাগ পদোন্নতির দাবিতে  এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ারুল  ইসলাম তোতা।সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন বাংলাদেশ  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সভাপতি মো.জুলফিকারআলী।স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে এবং শিক্ষকদের  সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যৌক্তিক এবং যুগোপযোগী  দাবি মেনে নিতে আপনাদের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন  সরকারের আন্তরিক সুদৃষ্টি কামনা করছি।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক  বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড প্রদানের জন্য  উচ্চ আদালতে রীট করেন। রীট নং- ৩২১৪/২০১৮।রায়ের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৮ মে ২০২৫ খ্রি: বাদী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকসহ বাকী ৬৫৫২৪ জন প্রধান শিক্ষককে ১০ম গ্রেড ও গেজেটেড মর্যাদা  প্রদানের জন্য অর্থ সচিব মহোদয়কে পত্র প্রেরণ করেন।কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় রীট নং-৩২১৪/২০১৮ এর আলোকেশুধুমাত্র রীটকারী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষককে ১০ম গ্রেড ওগেজেটেড মর্যাদা প্রদানের জন্য গত ১৯ জুন ২০২৫ খ্রি:প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করেন।এতে বাকী ৬৫৫২৪ জন প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।যা মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অন্তরায়সৃষ্টি হবে।দাবিসমূহ : ৪. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান  শিক্ষক পদকে ১০ম গ্রেডের মর্যাদা প্রদান করতে হবে।৫. সকল সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড এবং ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে।৬. সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে শতভাগ  পদোন্নতি প্রদান করতে হবে।কর্মসূচি : ৩. ১৬/০৭/২০২৫.খ্রি: বিকাল ৫টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।৪. ৩০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষকমহাসমাবেশ ও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার  কর্মবিরতি ঘোষণা।আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  তরিকুল ইসলাম, এম.এম ইউসুফ, আরিফ দেওয়ান,  ফজলুর রহমান, জহুরুল ইসলাম, জাহিদ রাব্বানী,  শিমুল, ফরহাদ হোসেন, আজিজুল ইসলাম, তোফাজ্জলহোসেন, আরাফাত, সেলিনা আখতার, জুলফিকার  রহমান, শফিকুল ইসলাম চাঁদ, মীর মহিবুর, আফছার আলী, হেলাল উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, সামসুল হক মাতব্বর প্রমুখ ।

 

Related Articles

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে ——- অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভিত্তি প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে পিকেএসএফ-এর রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং

আরও পড়ুন

শ্রম আইন বাস্তবায়নের উপর বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভরশীল– মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট

আরও পড়ুন

এলজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলারুশের অনাবাসিক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman