Somoy News BD

১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

আমাদের দেশে হিউম্যান রিসার্চ এর জন্য যে পরিমাণ গবেষক প্রয়োজন তা তুলনা মুলক অনেক কমঃউপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজকের এই স্নায়ু বিকাশজনিত প্রতিবন্ধকতা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা উন্মোচন অনুষ্ঠান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক উল্লেখ করে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, বাংলাদেশের জিওগ্রাফিক অনুযায়ী সমতল অঞ্চল থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের হিউম্যান রিসার্চের উপর নজর দেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, আমাদের দেশে হিউম্যান রিসার্চ এর জন্য যে পরিমাণ গবেষক প্রয়োজন তা প্রয়োজনীয়র তুলনায় অনেক কম। গবেষণা কাজে নিয়োজিত গবেষকদের এই গবেষণা আমাদের দেশের শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের স্নায়ু বিকাশজনিত প্রতিবন্ধকতার প্রকৃত চিত্র, কারণ ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেবে।

তিনি আজ হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটিজ( স্নায়ু বিকাশজনিত প্রতিবন্ধকতা) বিষয়ক জাতীয় গবেষণা উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আফসান ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানের চিফ এক্সিকিউটিভ মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী, কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ফ্যামিলি হেলথ বিষয়ক প্রফেসর তানভীর হাসান, ব্রাক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মলয় কান্তি মৃধা এবং আফসান ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি ড. মোসাদ্দেক আহমেদ চৌধুরী বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে গবেষক, চিকিৎসক, উন্নয়নকর্মী, সাংবাদিক ও প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধিতা নিয়ে সামাজিক বাঁধা রয়েছে। কিন্তু আজকের এই গবেষণা আমাদের দেখাচ্ছে প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও সামাজিক সহায়তা একত্রে কীভাবে একটি শিশুকে সম্ভাবনার জগতে পৌঁছে দিতে পারে।

তিনি বলেন,আমাদের সংবিধান, শিশু নীতি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা আইন অনুযায়ী প্রতিটি শিশু, প্রতিবন্ধী হোক বা না হোক, তাদের পূর্ণ মর্যাদা ও সুযোগ পাওয়ার অধিকার রাখে।
এই গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যতের নীতিনির্ধারণ, স্কুলব্যবস্থা, থেরাপি ও পরিবার-ভিত্তিক সহায়তা ব্যবস্থার জন্য একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে বলে আমি আশাবাদী।

আমি এই গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত সকল গবেষক, চিকিৎসক, সংগঠন ও মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি এই উদ্যোগ স্নায়ু বিকাশজনিত প্রতিবন্ধকতা বিষয়ক সচেতনতা ও সহানুভূতিশীল পদক্ষেপকে জোরদার করবে।

Related Articles

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারকারী চক্রের ০৮ সদস্য সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ

আরও পড়ুন

টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই

আরও পড়ুন

জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman