Somoy News BD

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

ঈদের দিন হারিয়ে যাওয়া কুরবানির মহিষ ভারত থেকে ফেরত আনলো বিজিবি: নাজিমের পরিবারে ফিরে এলো ঈদের আনন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গতকাল পবিত্র ঈদ-উল-আযহার দিন সকালে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার বাগানবাজার এলাকার বাসিন্দা মোঃ নাজিম উদ্দিনের কুরবানির জন্য কেনা একটি মহিষ অসাবধানতাবশত ছুটে যায়। স্থানীয়রা ধরার চেষ্টা করলে মহিষটি আতঙ্কিত হয়ে ছুটতে ছুটতে সীমান্ত অতিক্রম করে পুরান রামগড় এলাকার সীমান্ত পিলার ২২১৪/১২-এস এর পাশ দিয়ে ফেনী নদী অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।

ঘটনাটি বিজিবির বাগানবাজার বিওপির দৃষ্টিগোচর হলে বিওপি কমান্ডার সঙ্গে সঙ্গে বিজিবির রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলামকে অবহিত করে। অধিনায়ক দ্রুত ভারতের ১১৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে মহিষটি ফেরত আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

বিএসএফ মহিষটি উদ্ধারে তাৎক্ষণিকভাবে তল্লাশি শুরু করলেও ঘন জঙ্গল ও সন্ধ্যা/রাত নামার কারণে মিষ্টি গতকাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আজ সকাল আনুমানিক ১১.০০টায় বিএসএফ সদস্যরা পুনরায় মহিষটি ধরার চেষ্টা করলে এটি আবার ফেনী নদী পার হয়ে সীমান্ত পিলার ২২১৩/এমপি এর নিকট দিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্থানীয় জনগণের সহায়তায় মহিষটিকে আটক করা সম্ভব হয়। আনুমানিক দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে কুরবানির মহিষটি তার প্রকৃত মালিক মোঃ নাজিম উদ্দিনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

মহিষ ফেরত পেয়ে আবেগাপ্লুত নাজিম বলেন, “বিজিবি’র সহানুভূতিশীলতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা শুধু আমাদের কুরবানির পশুটি ফিরে পাইনি, বরং আমাদের ঈদের আনন্দও ফিরে পেয়েছি। এটি শুধু একটি পশু ফেরত আনার ঘটনা নয়, বরং এটি বিজিবি’র পক্ষ থেকে আমাদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং সীমান্তবাসীর পাশে থাকার এক অনন্য উদাহরণ।” এ ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান,
বিজিবি সবসময়ই মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে‌ সর্বদা সচেষ্ট থাকে। বিজিবির আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের এই অনন্য দৃষ্টান্ত আবারও তা প্রমাণ করলো।

এ ব্যাপারে রামগড় ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “কোরবানি মুসলমানদের ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি যখন এমন একটি দুর্ঘটনায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন, তখন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীর উচিত মানবিকভাবে পাশে দাঁড়ানো। আমরা বিএসএফের সাথে সমন্বয় করে মহিষটি ফেরত আনার উদ্যোগ নেই এবং সেটি সফল হয়েছে।”

উল্লেখ্য, মহিষটিকে আজ কুরবানী করা হয়েছে।

Related Articles

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী বাজেটই টেকসই অর্থনীতির রূপরেখা —অয়ন আহমেদ

একটি রাষ্ট্রের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের বার্ষিক খতিয়ান নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক উন্নয়নের এক দূরদর্শী বাস্তবভিত্তিক পরিস্কার পথনকশা। একটি আদর্শ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে জাল দলিলের অভিযোগ! বিয়ে-শাদির কাজিকে নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক পিরোজপুর জেলা সদরের বলেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিয়ে-শাদি পড়ানো কাজী ও ‘হুজুর’ পরিচিত

আরও পড়ুন

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman