Somoy News BD

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

উত্তর চিংড়া খালী খান বাড়ি জামে মসজিদের নামকরন নিয়ে শুরু হয়েছে প্রতিহিংসা

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৬ নং চিংড়া খালী ইউনিয়নের উওর চিংড়াখালী খান বাড়ি জামে মসজিদ নামে পরিচিত স্থানীয় সকলে জানে এবং কাগজপত্রের ইতিহাসেও বলে।

উওর চিংড়াখালী খান বাড়ি জামে মসজিদ জমি দাতা ইতিহাসে বলে মিত মঙ্গল আলী খান গং এর নাতি  মৃত হাবিবুর রহমান খান ইতিহাস হতে যুগ যুগ ধরে এ নামে মসজিদ পরিচিত পরিচালনা করে আসছেন মৃত হাবিবুর রহমান সাহেব গং।
বর্তমানে উত্তর চেংড়াখালী খান বাড়ি জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পরিচালনায় হাবিবুর রহমান খান সাহেবের ছেলে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খান দায়িত্বে রয়েছেন।

উত্তর চিংড়াখালী খান বাড়ি জামে মসজিদে লিখিত পর্যায়ে সর্বদা দেখা যায় যে উত্তর চিংড়াখালি খান বাড়ি জামে মসজিদ এর ব্যাংক একাউন্ট গুগোল ম্যাপে ও খান বাড়ি জামে মসজিদে পরিচিত রয়েছেন এবং কমিটিতেও দেখা যায় যে খান বাড়ি জামে মসজিদ নামে পরিচিত বিভিন্ন সময় বড় ধরনের অনুদান এবং বিভিন্ন মসজিদের সংরক্ষণ কাজে বড় ধরনের অনুদান প্রদান করে মূত হাবিবুর রহমান খান গং এর সন্তানেরা॥

এক শ্রেণির অসৎ চক্র মানুষের উস্কানিতে হাবিবুর রহমান খান এর সন্তানদের উপর হামলা মামলা চালানো হয় বর্তমান দায়িত্ব রত মসজিদের সভাপতি সাবেক সেনা সদস্য মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লাল সাহেবসহ ভাই পরিজন এর উপরে বর্তমানে এ নিয়ে নিয়ে দুষকারীদের হুমকি ধামকির মধ্যে রয়েছেন একই বাড়ির উপরে অন্য বংশধর বাড়ির উপরের বসবাস করেন তাদের ষড়যন্ত্রে নিম্নে এদের ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন মসজিদের জমি দাতা গং হামলা কারি এরা হলেন
১। মোঃ মুন্না কাজী পিতা-মৃত চান কাজী
২। মোঃ কিছলু কাজী পিতা মৃত মোজাফফর কাজী
৩। মোঃ আমিনুল ইসলাম (জুলহাস) সরদার পিতা মৃত লুৎফর রহমান সরদার
৪। মোঃ সায়েম সরদার পিতা মৃত সেকেন্দার আলী সরদার
৫। মোঃ মজিবর সিকদার পিতা মৃত ইসমাইল সিকদার
৬। মোঃ খোকন শিকদার পিতা মৃত হাতেম আলী শিকদার। এ বিষয়ে আমাদের প্রতিবেদক খোঁজ নিয়ে জানতে পারে যে পতি শুক্রবার জুমার দিন মসজিদে নামকরণ নিয়ে হট্টগোল মারামারি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন তাতে মসজিদের সাধারণ মুসল্লীগণ ক্ষিপ্ত হয় উক্ত ব্যক্তিদের প্রতি।
মসজিদের জমিদাতা গং দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি সাহেবকে বারবার হুমকি ধামকি দিচ্ছে মসজিদের নামকরণ নিয়ে এলাকাবাসীর কারো কোন সমস্যা নেই শুধুমাত্র এ ৬ জনের সমস্যা যাদের নেই নামাজ হজ্জ যাকাত মসজিদে অনুদান তাদের কেন ইতিহাসের মসজিদের নামকরণ নিয়ে সমস্যা বর্তমানে এদের কারণে রাস্তাঘাটে ঠিকমতো বের হতে পারছে না মসজিদের জমি দাতা গং দায়িত্বপ্রাপ্ত মসজিদের সভাপতি সাহেবের কাছ থেকে জানা যায় যে কিছলু কাজী বাদী হয়ে মসজিদের নামকরণ নিয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। নামকরণ নিয়ে মামলা করেছেন মামলায় যেটা রায় হয় সে রায় বর্তমান সভাপতি জমিনেতাগং মেনে নিবেন মামলা চলমান অবস্থায় কেন বারবার হামলার হুমকি মসজিদের ভিতর জুমার দিন হইচই বিশৃঙ্খলা যাতে না হয় সে ব্যাপারে বর্তমান মসজিদ কমিটির সভাপতি সাহেব আইন-শৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

Related Articles

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী বাজেটই টেকসই অর্থনীতির রূপরেখা —অয়ন আহমেদ

একটি রাষ্ট্রের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের বার্ষিক খতিয়ান নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক উন্নয়নের এক দূরদর্শী বাস্তবভিত্তিক পরিস্কার পথনকশা। একটি আদর্শ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে জাল দলিলের অভিযোগ! বিয়ে-শাদির কাজিকে নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক পিরোজপুর জেলা সদরের বলেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিয়ে-শাদি পড়ানো কাজী ও ‘হুজুর’ পরিচিত

আরও পড়ুন

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman