Somoy News BD

১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

টেকনাফের কুখ্যাত অপহরণকারী দলের মূলহোতা আবু তালেবকে গ্রামবাসীর সহায়তায় আটক ধরে থানায় সোপর্দ করলো বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার টেকনাফের কুখ্যাত অপহরণকারীদলের মূলহোতা আবু তালেবকে গ্রামবাসীর সহায়তায় আটক করে টেকনাফ থানায় সোপর্দ করেছে বিজিবি।

গত১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১১.০০ ঘটিকায়
বিজিবি’র টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ সাবরাং বিওপি’র দহল দল দায়িত্বপূর্ণ নয়াপাড়া এলাকায় দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত অপহরণকারী দলের মূল হোতা আবু তালেবকে আটক করে। পরবর্তীতে দুপুর ১২ টার দিকে তাকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, নয়াপাড়া গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে এবং কুখ্যাত অপহরণকারী দলের মূলহোতা মোঃ আবু তালেব (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তার চক্রান্তের জাল বিস্তার করে নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আবু তালেব গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ আনুমানিক বিকেল ০৪.০০ ঘটিকায় মিথ্যা প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে ০৫ জন স্থানীয় নিরীহ লোককে তাদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে টেকনাফের পল্লানপাড়া পাহাড়ি এলাকায় তার সহযোগীদের হাতে তুলে দেয়। এ সময় তাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে অপহৃত ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক সকাল ১১০০ ঘটিকায়
উক্ত ঘটনাস্থল থেকে মোঃ জাবের (২৮) নামের অপহৃত এক ব্যক্তি  অপহরণকারীদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। জাবের আলী জানান, বাড়ি থেকে বের করে আবু তালেব ও তার সহযোগীরা তাদেরকে নির্মম নির্যাতনের মুখে ফেলে মুক্তিপণ দাবি করে। পরবর্তীতে অপহৃত ভুক্তভোগীদের পরিবার টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ সাবরাং বিওপিতে এসে অভিযোগ জানালে, বিওপি কমান্ডারের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। আনুমানিক দুপুর ১২৩০ ঘটিকায় বিজিবি টহলদল স্থানীয় জনগণের সহায়তায় অপহরণকারী তালেবকে  আটক করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করে।

অপহৃত ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা নিম্নে প্রদান করা হলো:
ক। মোঃ জাবের (২৮), পিতা-মোঃ মনির আহমেদ।
খ। মোঃ রায়হান মনু (২০), পিতা-মোঃ মাহমুদ হোসেন ।
গ। মোঃ রায়হান (১৮), পিতা-মোঃ সেলিম।
ঘ। মোঃ জাকারিয়া (১৮), পিতা-মোঃ জমির আহমেদ। গ্রাম-নয়াপাড়া, পোস্ট-সাবরাং, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার।

এ ঘটনায় অপহৃত ব্যক্তিদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে টেকনাফ থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বিজিবি’র সুচিন্তিত কৌশল এবং জনগণের সহযোগিতায় সাবরাং বিওপি কর্তৃক দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় এলাকাবাসী অত্যন্ত সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সর্বশেষ জানা যায়, অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধারে আভিযানিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Related Articles

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো

আরও পড়ুন

মৎস্য উৎপাদনে মান নিশ্চিত করে রপ্তানি বাড়াতে হবে —- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিশ্বে এখন খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় হয়ে দেখা

আরও পড়ুন

পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে- পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন বিনিয়োগের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস’-এর কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman