Somoy News BD

১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ে ইন্টারনি খোলার ব্যবস্থা করা হবেঃ উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলম
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ  সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় বেগম রোকেয়ার রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ার ভাবনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, বাঙালি নারী জাগরণের বিশেষকরে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত শুধু নয়, বেগম রোকেয়া নারীদের অগ্রজ ও সাহসী সৈনিক এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে স্বপ্ন তরুণ প্রজন্ম তোমরা ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে দেখিয়েছো, সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমাদের প্রজন্মের সাহস ও ত্যাগ অনস্বীকার্য। তোমরা প্রতিকূলতার সামনেও মাথা নত করোনি, শোষণ ও বৈষম্য মুক্ত একটি দেশের জন্য তোমরা মেয়েরা ছিলে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ এর বিপ্লবে মেয়েদের যে নারী জাগরণ আমরা দেখতে পেয়েছি, তোমাদের আমরা হারিয়ে যেতে দেবো না, তোমাদের যারা স্নাতকোত্তর অর্জন করেছো, তোমাদের জন্য নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ে ইন্টারনি খোলার ব্যবস্থা করা হবে যাতে তোমরা এই মন্ত্রণালয়ের ইন্টারনির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন , সমাজে মানুষের কল্যাণমূলক কাজ সম্পর্কে গবেষণা করতে পারবে।

তিনি আজ রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর চৌধুরী রফিকুল আবরার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.পারভীন হাসান। অনুষ্ঠানে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান , সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিশিষ্টজনেরা  অংশ নেন।

উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য দেশের এই অনন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির তৃতীয় সমাবর্তনে উপস্থিত হতে পেরে আমি আনন্দিত। আজকের এই বিশেষ দিনে স্নাতক হওয়া শিক্ষার্থীদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এই দিনটি শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয় বরং এটি একটি অর্জনের মুহূর্ত এবং একইসঙ্গে একটি নতুন যাত্রার সূচনা। যারা আজ শিক্ষাজীবনের  এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করেছো, তাদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক শুভকামনা।

তিনি বলেন, তোমাদের মনে রাখতে হবে শিক্ষা মানুষের শুধু ডিগ্রি দেয় না, মানুষকে সচেতন ও দায়িত্ববান করে তোলে। শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সত্যের সন্ধান, ন্যায়ের প্রতি অঙ্গীকার এবং সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করা । সমাবর্তনের মুহূর্তে শুধু নিজের জন্য নয়, গোটা সমাজ ও পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশেকে নতুনভাবে পরিচয় করে তুলতে আমি তোমাদের আহ্বান জানাই। আমি বিশ্বাস করি প্রতিটি শিক্ষার্থীই একজন সম্ভাব্য পরিবর্তনের দূত। সমাজে, রাষ্ট্রে , বিশ্বে তোমরা ন্যায় ও অন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেবে। প্রশ্ন করবে, প্রতিবাদ করবে, প্রয়োজনে নেতৃত্ব দেবে। একসাথে আমরা বাংলাদেশকে সকল শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করবো। এমন একটি দেশ গড়ে তুলবো যা ন্যায়বিচার, আইনের শাসন নিশ্চিত করে এবং বিশ্বে অনুকরণীয় উদাহরণ সৃষ্টি করে। এই দেশ আমাদের সবার, সবাই মিলে কাজ করি নতুন বাংলাদেশের জন্য এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তি

Related Articles

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারকারী চক্রের ০৮ সদস্য সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ

আরও পড়ুন

টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই

আরও পড়ুন

জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman