Somoy News BD

১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত তদন্তে সহযোগিতা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মালয়েশিয়ায় সম্প্রতি গ্রেপ্তারকৃত কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তদন্তে মালয়েশিয়ার সাথে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ সরকার। আজ কুয়ালালামপুরে ৩২তম **আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (এআরএফ)** মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের sidelines এ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জনাব তৌহিদ হোসেন মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতো হাজি মোহামাদ বিন হাজি হাসানের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ কথা জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে বাংলাদেশি নাগরিকদের গ্রেপ্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে অভিযোগের তদন্তে তথ্য ও ফলাফল বিনিময়ের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন। মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সুযোগ ও সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।

এর আগে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ল্যামির সাথে বৈঠক করেন। এতে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া, রোহিঙ্গা সংকট, এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সহায়তা প্রভৃতি বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব উইনস্টন পিটার্স, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব বিজিতা হেরাথ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ভাইস মিনিস্টর ও ডেলিগেশন প্রধান জনাব পার্ক ইয়ুনজুর সাথেও সাক্ষাৎ করেন। এসময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাশ্বিক নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ ২০০৬ সালে **এআরএফ**-এর সদস্য পদ লাভ করে। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত এই ফোরাম এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২৭টি সদস্য দেশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করে। বর্তমানে বাংলাদেশ এআরএফ-এর দুটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্র— **”সন্ত্রাসবাদ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ”** এবং **”দুর্যোগ ত্রাণ”**—এর সহ-সভাপতিত্ব করছে। এআরএফ-এর পরবর্তী মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক ২০২৬ সালে ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেলে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা **এআরএফ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে** জাতীয় বক্তব্য প্রদানকালে রোহিঙ্গা সংকটের ওপর আরও মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যা জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আসিয়ান সদস্যদের বাংলাদেশকে **”সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার”** হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধও জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জনাব মো. শামীম আহসান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক জনাব মো. ফরহাদুল ইসলাম ও সরকারের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

Related Articles

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো

আরও পড়ুন

মৎস্য উৎপাদনে মান নিশ্চিত করে রপ্তানি বাড়াতে হবে —- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিশ্বে এখন খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় হয়ে দেখা

আরও পড়ুন

পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে- পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন বিনিয়োগের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস’-এর কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman