Somoy News BD

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধির নেতৃত্বে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক-এর সাথে আজ সচিবালয়স্থ তাঁর অফিস কক্ষে ইউনেস্কো (UNESCO) বাংলাদেশ প্রতিনিধি প্রধান সুজান ভাইজ (Susan Vize) এর নেতৃত্বে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।এই প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন UNDP-এর ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ Sonali Dayaratne, UNWomen-এর পার্টনারসিপ এনালিস্ট Syeda Samara Mortada, UNFPA-এর টেকনিকাল অফিসার Habibur Rahman এবং ILO-এর কান্ট্রি অফিসার Gunjan B. Dallakoti। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের যুব উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতেই প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত Youth Voice Mechanism (YVM) প্রকল্পের কার্যক্রম এবং এর বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এই প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রতিনিধিরা। একই সাথে বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় যুব নীতি এবং যুব উদ্যোক্তা নীতিমালার কৌশলগত অগ্রাধিকারসমূহ নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয় এবং এ বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। বিশেষ করে সমাজের সকল স্তরের তরুণদের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ এবং তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে দুই পক্ষ কীভাবে একসাথে কাজ করতে পারে, সেই বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পায়। এছাড়া ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্ভাব্য অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়।
বৈঠক শেষে প্রতিনিধি দল আশা প্রকাশ করেন যে, এই আলোচনার মাধ্যমে চলমান যুব উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো আরও গতিশীল হবে। সরকারের সাথে জাতিসংঘের এই সমন্বয় বাংলাদেশের তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং আধুনিক ও কার্যকর যুব নীতি প্রণয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক প্রতিনিধি দলের প্রস্তাবনাগুলোকে সাধুবাদ জানান এবং বাংলাদেশের যুব সমাজের সার্বিক কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

Related Articles

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী বাজেটই টেকসই অর্থনীতির রূপরেখা —অয়ন আহমেদ

একটি রাষ্ট্রের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের বার্ষিক খতিয়ান নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক উন্নয়নের এক দূরদর্শী বাস্তবভিত্তিক পরিস্কার পথনকশা। একটি আদর্শ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে জাল দলিলের অভিযোগ! বিয়ে-শাদির কাজিকে নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক পিরোজপুর জেলা সদরের বলেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিয়ে-শাদি পড়ানো কাজী ও ‘হুজুর’ পরিচিত

আরও পড়ুন

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman