Somoy News BD

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম-ডব্লিউএফপি)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দল আজ সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, নারী ও শিশু উন্নয়ন, দরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টি উন্নয়নে চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সে লক্ষ্যে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অবহেলিত এলাকার মানুষের জীবন মান উন্নয়নে প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এরই অংশ হিসেবে সরকার গঠনের ২১দিনের মাথায় প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানদের নামে পাইলটিং পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৮১৪টি কার্ড বিতরণ ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই কর্মসূচি ইউনিভার্সালি হিসাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ভিত্তিতে ফাইন্ডআউট করে তাদের ডাটাবেইজ করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিবে। ডব্লিউএফপি’র সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, দেশের দুর্গত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য সহায়তা, পুষ্টি কর্মসূচি এবং জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমে ডব্লিউএফপি’র ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার নারী ও শিশুদের ক্ষমতায়ন, সমাজের অনগ্রসর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ডব্লিউএফপি’র সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোকে আরও কার্যকর ও বিস্তৃত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে দরিদ্র মায়েদের পুষ্টি সহায়তা, শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রতিনিধি দলের কান্ট্রি ডিরেক্টর Simone Parchment মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নারী ও শিশু কল্যাণে গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তাঁরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এনডিসি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ ফিরোজ উদ্দিন খলিফা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সাক্ষাৎ দু’পক্ষের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন করবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

Related Articles

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী বাজেটই টেকসই অর্থনীতির রূপরেখা —অয়ন আহমেদ

একটি রাষ্ট্রের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের বার্ষিক খতিয়ান নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক উন্নয়নের এক দূরদর্শী বাস্তবভিত্তিক পরিস্কার পথনকশা। একটি আদর্শ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে জাল দলিলের অভিযোগ! বিয়ে-শাদির কাজিকে নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক পিরোজপুর জেলা সদরের বলেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিয়ে-শাদি পড়ানো কাজী ও ‘হুজুর’ পরিচিত

আরও পড়ুন

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman