Somoy News BD

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার (Michael Miller) সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ পুলিশ সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কৌশল, বাণিজ্য সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সাক্ষাৎকারের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আমরা দুই পক্ষের বিদ্যমান সহযোগিতা আরো জোরদার ও প্রসারিত করতে চাই।”

পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা চলাকালে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রয়োজনীয় পরামর্শ পরিষেবা (Consultancy Services) দিয়ে আমাদের সহায়তা করতে পারে।” তিনি আরো জানান যে, ইইউ পুলিশের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারে। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

দুর্নীতি দমনে ইইউ’র ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের একটি সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কৌশল থাকা প্রয়োজন এবং ইইউ এক্ষেত্রে সব ধরনের কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের এই প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করেন। তিনি ইইউ’র সাথে বিভিন্ন সেক্টরে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো দ্রুত চিহ্নিত করতে এবং এসব বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী বাজেটই টেকসই অর্থনীতির রূপরেখা —অয়ন আহমেদ

একটি রাষ্ট্রের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের বার্ষিক খতিয়ান নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক উন্নয়নের এক দূরদর্শী বাস্তবভিত্তিক পরিস্কার পথনকশা। একটি আদর্শ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে জাল দলিলের অভিযোগ! বিয়ে-শাদির কাজিকে নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক পিরোজপুর জেলা সদরের বলেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিয়ে-শাদি পড়ানো কাজী ও ‘হুজুর’ পরিচিত

আরও পড়ুন

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman