Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ:

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে আজ জাতীয় সংসদে তাঁর অফিসকক্ষে UNESCO এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ Susan Vize (সুসান ভাইজ) এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন ইউনেস্কো বাংলাদেশ এর হেড অভ কমিউনিকেশন এন্ড ইনফরমেশন ফারহানা শাহনাজ এবং মিডিয়া এন্ড ইনফরমেশন প্রজেক্ট লিড শাকিল এম ফয়সাল।

সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষের মধ্যে পুলিশ প্রশিক্ষণ ও সংস্কার, মিডিয়া ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায়, মত প্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখা, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন বিষযে আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাতের শুরুতে মন্ত্রী ইউনেস্কো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ সুসান ভাইজকে স্বাগত জানান। ভাইজ নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

ইউনেস্কো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ নিয়ে ইউনেস্কো’র চলমান প্রকল্প রয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশের প্রশিক্ষণ নিয়ে আইজিপি’র সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি মিললে আগামী জুনের মধ্যেই তারা প্রশিক্ষণ শুরু করতে চান। মন্ত্রী এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে দ্রুত প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। সুসান ভাইজ জানান, জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে এসপি ও ওসি পদমর্যাদার ৭ শত পুলিশ অফিসারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী ইউনেস্কো’র সহযোগিতায় প্রতিটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি এতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের মিডিয়া শাখায় কর্মরত অফিসারদের অন্তর্ভুক্ত করা হলে প্রশিক্ষণটি ফলপ্রসূ হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি শনিবার অনুষ্ঠিত হলে তা অংশগ্রহণকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে বলে মত প্রকাশ করেন। সুসান ভাইজ জানান, মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য অনুরূপ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করছে ইউনেস্কো। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে এর সঙ্গে জবাবদিহির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পুলিশ ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে ইউনেস্কো প্রতিনিধিরা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

জাতীয় চিড়িয়াখানায় সাদা মহিষ দেখতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় সম্প্রতি আনা বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাদা মহিষ (অ্যালবিনো বাফেলো) দেখতে দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের পরদিন

আরও পড়ুন

জনসাধারণের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় কাজ করছে বিজিবির ২৩টি টিম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা, মহাসড়ক

আরও পড়ুন

ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার যেকোনো ধরনের অনিয়ম, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman