Somoy News BD

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সরকার চলতি ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন ধান, ১২ লক্ষ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লক্ষ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আগামী ৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে, যা ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি’র (FPMC) সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ধান, চাল ও গমের সংগ্রহ মূল্য নিম্নরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে: বোরো ধান প্রতি কেজি ৩৬ টাকা; সিদ্ধ চাল প্রতি কেজি ৪৯ টাকা; আতপ চাল প্রতি কেজি ৪৮ টাকা; গম প্রতি কেজি ৩৬ টাকা।

সভা শেষে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে চালের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৭ থেকে ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন চাল মজুত আছে। জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি পর্যায়ে ১৩ লক্ষ মেট্রিক টন চালের ‘নিরাপত্তা মজুত’ (Security Stock) বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। তবে সরকার প্রয়োজনে এই মজুত ২৪-২৫ লক্ষ মেট্রিক টনে উন্নীত করার সক্ষমতা রাখে এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রকিউরমেন্ট লক্ষ্যমাত্রা পরিবর্তনের ফ্লেক্সিবিলিটি রাখা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে বার্ষিক চালের চাহিদা প্রায় ৪ কোটি ২৪ লক্ষ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে আবহওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে, যা জাতীয় চাহিদা পূরণে সক্ষম। ফলে চাল আমদানির আপাতত কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। তবে গমের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (৮-১০ লক্ষ মেট্রিক টন) চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় এটি মূলত আমদানিনির্ভর। দেশে গমের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৮০ লক্ষ মেট্রিক টন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গমের চাহিদা মেটাতে সরকার জি-টু-জি (G2G) এবং ওপেন টেন্ডার মেথডে (OTM) ৮ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) সাথে প্রায় ৭ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমদানির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে আমদানিকারকরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎস থেকে গম আমদানি করতে পারবেন।

মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা অঞ্চলে আতপ চালের চাহিদাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট অঞ্চলে সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে অন্য অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে সরবরাহ চেইন সচল রাখা হবে। দেশের কোথাও যাতে খাদ্যের ঘাটতি না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মোঃ আবদুল বারীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী বাজেটই টেকসই অর্থনীতির রূপরেখা —অয়ন আহমেদ

একটি রাষ্ট্রের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের বার্ষিক খতিয়ান নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক উন্নয়নের এক দূরদর্শী বাস্তবভিত্তিক পরিস্কার পথনকশা। একটি আদর্শ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে জাল দলিলের অভিযোগ! বিয়ে-শাদির কাজিকে নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক পিরোজপুর জেলা সদরের বলেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিয়ে-শাদি পড়ানো কাজী ও ‘হুজুর’ পরিচিত

আরও পড়ুন

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman