Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

সমাজে নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি নিবেদিত প্রানঃউপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলম :
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, সমাজে নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি নিবেদিত প্রাণ। আর তোমরা যুব প্রশিক্ষনার্থীরা যে শুধু আমার কাছে নও জনগণের আশা প্রবর্তনের প্রতীক। তোমরাই পারবে সমাজের ক্ষুদ্র অসহায় মানুষের জীবন পাল্টে দিতে।
তিনি আজ আগারগাঁও সমাজসেবা অধিদপ্তরে সমাজসেবা একাডেমী আয়োজিত সহকারী সমাজসেবা অফিসারদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোঃ মহিউদ্দিন বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সমাজসেবা একাডেমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ, উপাধ্যক্ষ আবুল ফজল মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, প্রভাষক নুরুল আমিন এবং প্রশিক্ষণার্থী আরিফুল আলম, রিজভী আখতার, মনিরুজ্জামান প্রমূখ বক্তৃতা করেন।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ এদেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে বাধাহীন ভাবে কাজ করবে উল্লেখ করে বলেন, তোমরা সহকারী সমাজসেবা অফিসার হিসেবে একটা নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছো। তোমরা যে সুযোগ পেয়েছো সমাজে প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে ভালোবাসা দিয়ে কিছু করতে। তিনি বলেন সমাজ সেবায় আমাদের যে অবারিত জায়গা রয়েছে মানুষের প্রতি নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করে সেবা দিতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, ৫৪ বছর এদেশের মানুষের জন্য বিগত সরকার কিছুই করতে পারেনি। তারা সমাজে শোষণ, অসততা, দুর্নীতি অপসংস্কৃতি তৈরি করেছে । যার ফলশ্রুতিতে আমাদের বাচ্চাদের মনে প্রতিবাদের ভাষা তৈরি হয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলনের সংগ্রাম হয়েছে। নতুন করে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ।
তিনি বলেন, এ সংগ্রামের কথা তোমরা ভুলতে পারবেনা। এ সংগ্রামের কথা মনে রেখেই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
দিনে আরো বলেন, সমাজে অসহায় মানুষের দুর্বল জায়গায়কে সুরক্ষিত করাই আমাদের কাজ। আমরা এই মন্ত্রণালয়ের দরজা খুলে দিতে চাই। দরিদ্র মানুষ যাতে এই খোলা দরজায় সহজে এসে সেবা নিয়ে খুশি মনে ফিরে যেতে পারে। আমরা এই মন্ত্রণালয়ের সেবা মানুষের দোরগোড়ায পৌঁছে দিতে চাই।এই দায়িত্ব তোমাদের মত তরুণ যুব সমাজের, তোমরা তোমাদের কর্ম নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাবে। আমরা সবাই একটি সুন্দর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখবো এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উপদেষ্টা এ অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি মোহাম্মদ লিমন হোসেনকে একটি কৃত্রিম পা উপহার দেন । এই কৃত্রিম পা উপহার পেয়ে লেমন হোসেন উপদেষ্টা মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ও সমাজসেবা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠান শেষে উপদেষ্টা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ৩৫ জন প্রশিক্ষণার্থিদের মধ্যে সনদ , ক্রেস্ট ও মেডেল প্রদান করেন।

Related Articles

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী বাজেটই টেকসই অর্থনীতির রূপরেখা —অয়ন আহমেদ

একটি রাষ্ট্রের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের বার্ষিক খতিয়ান নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক উন্নয়নের এক দূরদর্শী বাস্তবভিত্তিক পরিস্কার পথনকশা। একটি আদর্শ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে জাল দলিলের অভিযোগ! বিয়ে-শাদির কাজিকে নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক পিরোজপুর জেলা সদরের বলেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিয়ে-শাদি পড়ানো কাজী ও ‘হুজুর’ পরিচিত

আরও পড়ুন

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman