নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গত ৭ জুলাই ২০২৫ খ্রি. ভোরে মুন্সিগঞ্জ সদর থানাধীন মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ক্রাউন সিমেন্ট ফ্যাক্টরি হতে আব্দুল্লাহ আল ফারুক ওরফে লিটন এর মালিকানাধীন বাল্কহেডে আসামি ১. বাল্কহেডের সুকানি মোঃ আক্তার হোসেন খান (৫০) ২. বাল্কহেডের মিস্ত্রি বেল্লাল(৩৫) সিমেন্ট লোড করে ঢাকার আমিনবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে। দুষ্কৃতিকারীরা গন্তব্য স্থলে না গিয়ে পরস্পর যোগসাজসে বাল্কহেড নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। পরবর্তীতে নিজেরা অজ্ঞাত অপহরণকারী সেজে বাল্কহেড মালিককে সংবাদ পাঠায় যে বাল্কহেডের উল্লিখিত সুকানি ও মিস্ত্রিকে অপহরণ করা হয়েছে এবং বাল্কহেড ও তাদের মুক্তিপণ বাবদ ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে মর্মে জানা যায়।
১০ জুলাই ২০২৫ খ্রি. এমন সংবাদের প্রেক্ষিতে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি জনাব কুসুম দেওয়ান এর নির্দেশনায় এসপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌ পুলিশের একাধিক টিম দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার উত্তরা হতে বাল্কহেডের মিস্ত্রি আসামী বেল্লাল (৩৫) কে গ্রেফতার করে এবং বরিশাল হতে তাদের সহযোগী আসামি মোঃ সবুজ ওরফে টগর (৩৫) কে গ্রেফতার করা হয়।
আসামিদ্বয়দের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বরিশাল জেলার দুর্গম নদী হতে অপহরণকৃত বাল্কহেডটি উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা। আসামিদ্বয় প্রাথমিক জিজ্ঞসাবাদে ঘটনার দায় স্বীকার করে এবং তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন। মূলত বাল্কহেডটি কেটে বিক্রি করে দেওয়া এবং মালিকের কাছ থেকে টাকা আদায় করার উদ্দেশ্যে তারা বরিশালের দুর্গম এলাকায় বাল্কহেডটি নিয়ে যায় এবং নিজেরা অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়।
উক্ত বিষয়ে বাল্কহেডের মালিক আব্দুল্লাহ আল ফারুক ওরফে লিটন বাদী হয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গসহ চাঁদা দাবির অপরাধে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন। ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আসামি গ্রেফতার ও অপহরণকৃত বাল্কহেড উদ্ধার নৌ পুলিশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।













