Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

অসচ্ছল, অসুস্থ ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাঝে ক্রীড়াভাতা বিতরণ উদ্বোধন করলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ২০ এপ্রিল (রবিবার) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাঝে ক্রীড়াভাতা বিতরণী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে অনেক ক্রীড়াবিদ রয়েছেন যাদের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আর কোন আয়ের উৎস থাকে না। আমাদের দেশের স্পোর্টস ইকোসিস্টেম না থাকার কারণে সাবেক খেলোয়ারদের এমপ্লয়মেন্টের খুব অল্প সুযোগ থাকে। আমরা এ সকল বিষয়গুলোকে এড্রেস করছি এবং এগুলো উত্তরণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে তবে সম্পূর্ণ ফলাফল আসতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হবে। এই সময়ের মধ্যে যে অসমর্থ ক্রীড়াবিদ রয়েছেন যারা দেশকে সার্ভ করেছেন, দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন তাদের সহযোগিতার জন্য এই ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কাজ করছে।

উপদেষ্টা বলেন, ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কর্ম-পরিধি বৃদ্ধির জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর থেকে ক্রীড়াসেবীদের মাঝে মাসে ২০০০ টাকা করে বাৎসরিক ২৪ হাজার টাকার পরিবর্তে মাসে ৩০০০ টাকা করে বছরে ৩৬ টাকা প্রদান করা হবে। ভবিষ্যতে এই টাকার পরিমানটা আরো বৃদ্ধি করা হবে।

উপদেষ্টা আরো বলেন, সারাদেশে তারুণ্যের উৎসব একটি সফল কর্মসূচি হিসেবে পালিত হয়েছে। প্রায় ৪৬ হাজার ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে যাতে প্রায় দেড় কোটি তরুণ অংশগ্রহণ করেছেন। যখন একটি সমাজে খেলাধুলার প্রাধান্য থাকে তখন যুব সমাজ মাদকসহ নানান ধরনের ইভিল প্রেক্টিস হতে দূরে থাকে। সেই দিক বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারুণ্যের উৎসব সারা বছরব্যাপী চলমান থাকবে এবং আরো নতুন নতুন অনেক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে।

তিনি বলেন তারুণ্যের উৎসবকে সফল করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় এবং বাফুফের সহযোগিতায় দেশে ৬৪ টি জেলায় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে। ক্রীড়াক্ষেত্রে স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে ক্রীড়া আনুরাগীদের কে নিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রায় ৫১ টি জেলায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গঠন করা হয়েছে বাকিগুলো কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে রাজস্ব বাজেটের ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা বিইএফটিএন (BEFTN) মাধ্যমে ১৬৫২ জন ক্রীড়াসেবীর স্ব স্ব হিসাব নম্বরে প্রদান করা হয়।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman