Somoy News BD

২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

অসচ্ছল, অসুস্থ ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাঝে ক্রীড়াভাতা বিতরণ উদ্বোধন করলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ২০ এপ্রিল (রবিবার) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাঝে ক্রীড়াভাতা বিতরণী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে অনেক ক্রীড়াবিদ রয়েছেন যাদের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আর কোন আয়ের উৎস থাকে না। আমাদের দেশের স্পোর্টস ইকোসিস্টেম না থাকার কারণে সাবেক খেলোয়ারদের এমপ্লয়মেন্টের খুব অল্প সুযোগ থাকে। আমরা এ সকল বিষয়গুলোকে এড্রেস করছি এবং এগুলো উত্তরণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে তবে সম্পূর্ণ ফলাফল আসতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হবে। এই সময়ের মধ্যে যে অসমর্থ ক্রীড়াবিদ রয়েছেন যারা দেশকে সার্ভ করেছেন, দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন তাদের সহযোগিতার জন্য এই ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কাজ করছে।

উপদেষ্টা বলেন, ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কর্ম-পরিধি বৃদ্ধির জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর থেকে ক্রীড়াসেবীদের মাঝে মাসে ২০০০ টাকা করে বাৎসরিক ২৪ হাজার টাকার পরিবর্তে মাসে ৩০০০ টাকা করে বছরে ৩৬ টাকা প্রদান করা হবে। ভবিষ্যতে এই টাকার পরিমানটা আরো বৃদ্ধি করা হবে।

উপদেষ্টা আরো বলেন, সারাদেশে তারুণ্যের উৎসব একটি সফল কর্মসূচি হিসেবে পালিত হয়েছে। প্রায় ৪৬ হাজার ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে যাতে প্রায় দেড় কোটি তরুণ অংশগ্রহণ করেছেন। যখন একটি সমাজে খেলাধুলার প্রাধান্য থাকে তখন যুব সমাজ মাদকসহ নানান ধরনের ইভিল প্রেক্টিস হতে দূরে থাকে। সেই দিক বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারুণ্যের উৎসব সারা বছরব্যাপী চলমান থাকবে এবং আরো নতুন নতুন অনেক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে।

তিনি বলেন তারুণ্যের উৎসবকে সফল করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় এবং বাফুফের সহযোগিতায় দেশে ৬৪ টি জেলায় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে। ক্রীড়াক্ষেত্রে স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে ক্রীড়া আনুরাগীদের কে নিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রায় ৫১ টি জেলায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গঠন করা হয়েছে বাকিগুলো কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে রাজস্ব বাজেটের ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা বিইএফটিএন (BEFTN) মাধ্যমে ১৬৫২ জন ক্রীড়াসেবীর স্ব স্ব হিসাব নম্বরে প্রদান করা হয়।

Related Articles

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে দিনাজপুরের বিরামপুরে জব ফেয়ার ২০২৬ : ৮০টি দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে মিলবে তাৎক্ষণিক চাকুরির সুযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ বর্তমান সরকার তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ এবং যুবকদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে

আরও পড়ুন

আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বায়োগ্যাস প্লান্ট: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবেলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় সিআইডির অভিযানে গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ২০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১০টা ৩০ মিনিটে সিআইডির একটি চৌকস দল মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে

আরও পড়ুন

প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান (রেজা) ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman