Somoy News BD

১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

ইসলামের দৃষ্টিতে গণতন্ত্রের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কুফর এবং শিরক  – আমীর, ইসলামী সমাজ ।

মঞ্জুর:

‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষকে সার্বভৌমত্বের মালিক, আইন-বিধানদাতা ও শাসনকর্তা মেনে নিলে এবং আলকুরআন বিরোধী সংবিধান ও এরই ধারক-বাহক নেতা বা সরকারের আনুগত্য স্বীকার করলে আল্লাহর সাথে কুফর এবং শিরক করা হয়। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় জনগন সার্বভৌমত্বের মালিক, জনপ্রতিনিধিগণ আইনদাতা-বিধানদাতা ও সরকার হয় শাসনকর্তা এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান ও এরই ধারক-বাহক সরকারের আনুগত্য স্বীকার করা হয় বিধায়; ইসলামের দৃষ্টিতে গণতন্ত্র

কুফরী ও শিরকী ব্যবস্থা- ইসলাম বিরোধী মতবাদ- জাহান্নামের পথ । তিনি বলেন, যেহেতু গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন মানুষের সার্বভৌমত্বের অধীনে আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য স্বীকার করেই অনুষ্ঠিত হয় সেহেতু গণতান্ত্রিক নির্বাচন ইসলাম বিরোধী অপরাধ, ইসলামের দৃষ্টিতে গণতন্ত্রের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কুফর এবং শিরক ।

“ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগরের দায়িত্বশীল, মুহাম্মাদ ইয়াছিন এর সঞ্চালনায় “ইসলামের দৃষ্টিতে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি” বিষয়ে ১৯ অক্টোবর, রবিবার, সকাল ১১:৩০ মিনিটে, জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, গণতন্ত্রের নির্বাচন, গণআন্দোলন, সেনা ক্যু এবং সশস্ত্র লড়াই ইত্যাদির কোনটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ঈমানদাগণের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত পদ্ধতি নয়। ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে দাওয়াত কবুলকারী ঈমানদারগণের সমাজ গঠন

আন্দোলন’ই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ঈমানদাগণের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের পদ্ধতি। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মক্কায় প্রতিষ্ঠিত জাহিলি সমাজের লোকদেরকে ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে দাওয়াত কবুলকারী ঈমানদারগণকে তাঁর নেতৃত্বের আনুগত্যে ঐক্যবদ্ধ করে জাহিলি সমাজের বিপরীতে ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলন গড়ে তুলেন । মক্কী জীবনের ১৩ বছরের আন্দোলনে সবর ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে একতরফা নির্যাতিত হয়েছিলেন। আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে আল্লাহই মদীনায় অনুকূল পরিবেশ গঠন করে রাসূল (সাঃ) কে মদীনায় রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব দান করেছিলেন । রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের পরই তিনি পর্যায়ক্রমে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে ইসলাম বিরোধী আইন মূলোৎপাটন করে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তখনই বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সশস্ত্র লড়াই করেছিলেন। এভাবেই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সুতরাং, রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের আগে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের পর বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সশস্ত্র লড়াই করার বৈধতা ইসলামে আছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিভাগীয় ও কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল, জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্, মোঃ নুরুদ্দিন, আজমুল হক, আসাদুজ্জামান, মোঃ সেলিম মোল্লা, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, মোঃ সোহেল, মিনহাজ উদ্দিন, আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ ও মোস্তফা জামিল সাদ প্রমুখ।

 

Related Articles

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারকারী চক্রের ০৮ সদস্য সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ

আরও পড়ুন

টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই

আরও পড়ুন

জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman