Somoy News BD

১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার আয়োজনে হাটু প্রতিস্থাপন সার্জারি বিষয়ক রোগীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রথম জেসিআই স্বীকৃত হাসপাতাল, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা আজ একটি পেশেন্ট ফোরামের আয়োজন করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল হাঁটুর ব্যথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং এর আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। রোগী, রোগীদের পরিবার এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এই ফোরামটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশের সিইও ও এমডি ডা. রত্নাদ্বীপ চাস্কার এবং গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ ও এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার জয়েন্ট কেয়ার অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার এবং অর্থোপেডিক্স বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং বিভাগীয় প্রধান ডা. এম. আলী ।
আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা হাঁটুর ব্যথার কারণ, লক্ষণ এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিস সম্পর্কে আলোচনা করেন। দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে কীভাবে বড় ধরনের সমস্যা এড়ানো যায় তা তুলে ধরা হয়। ডা. এম. আলী এভারকেয়ার হসপিটালের হাটু প্রতিস্থাপন চিকিৎসা পদ্ধতির বিষয়ে আলোকপাত করেন, যেখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এ পর্যায়ে রোগীদের সার্জারি পরবর্তী সার্বিক ব্যথা নিরাময় ও পুনর্বাসন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। হাটু প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে হাঁটুর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া রোগীরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যা ফোরামের অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করে।

ডা. এম. আলী বলেন, “আমাদের জয়েন্ট কেয়ার অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারে আমরা রোগীদের জন্য সর্বোত্তম ও ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করি। হাটু প্রতিস্থাপন হাঁটুর ব্যথার স্থায়ী সমাধান এবং এটি রোগীদের আত্মবিশ্বাস, গতিশীলতা এবং স্বাভাবিক জীবনের আনন্দ ফিরে পেতে সাহায্য করে। হাটু প্রতিস্থাপন শুধুমাত্র একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি মানুষের জীবনকে নতুন করে গড়ার একটি মাধ্যম।”

ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, “এভারকেয়ার শুধুমাত্র চিকিৎসা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়, আমরা রোগীদের জীবনমান উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। হাটু প্রতিস্থাপন এমন একটি সমাধান যা রোগীদের নতুনভাবে বাঁচার সুযোগ করে দেয়। আমরা গর্বিত যে আন্তর্জাতিক মানের এই সেবাটি আমরা বাংলাদেশে প্রদান করছি। এজন্য আমরা বেসরকারিভাবে দেশে প্রথম আর্থপ্লাসটি ইউনিট গড়ে তুলেছি যার মাধ্যমে এই ধরনের রোগীদের সঠিক সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।”

অনুষ্ঠানের শেষে রোগী এবং তাদের পরিবার বিশেষজ্ঞদের সাথে সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত সবাই এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং জানান এটি তাদের জন্য অত্যন্ত তথ্যবহুল ও অনুপ্রেরণামূলক ছিল। এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা ভবিষ্যতেও এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের মাঝে আধুনিক চিকিৎসার সুযোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।

Related Articles

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো

আরও পড়ুন

মৎস্য উৎপাদনে মান নিশ্চিত করে রপ্তানি বাড়াতে হবে —- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিশ্বে এখন খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় হয়ে দেখা

আরও পড়ুন

পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে- পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন বিনিয়োগের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস’-এর কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman