Somoy News BD

২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির কর্মসূচী ও দাবী

মঞ্জুর:

২৯শে জুন ২০২৫ জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলের ২য় তলায় নতুন বাংলাদেশ গঠনে বিআরপি’র অঙ্গীকার ৩৬ জুলাই উপলক্ষ্যে বিশেষ ঘোষনা সংবাদ সম্মেলন করেন। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াতুল্লাহ হাছানাত বেহেস্তি,যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম আল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ আয়াজ আহম্মেদ সিদ্দিক, সাজ্জাত হোসাইন,হাসনাত আব্দুল্লাহ, নারী ও শিশু সম্পাদিকা আনিকা তাসনীম খান , সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা দক্ষিণ কেন্দ্রীয় কমিটির মেজর মোঃ রাকিবুল হাসান(অবঃ) প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন,সাংগঠনিক সম্পাক আয়াতুল্লাহ হাছানাত বেহেস্তি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই অভ্যুত্থান একটিবীরত্বগাথা,যেখানে ছাত্রজনতা এবং সর্বস্তরের মানুষ  সাম্য,ন্যায় এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের জন্য রক্ত দিয়েছে।এই আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে “সবার উপরে দেশ”এই মূলমন্ত্র নিয়ে ২০ জুন ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ  রিপাবলিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করে।আসন্ন জুলাই মাসকে আমরা অত্যন্ত শ্রদ্ধা, বেদনা ও  প্রত্যাশার সাথে স্মরণ করছি সেই শহীদ ও আহতদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে সুবিচারভিত্তিক ও বৈষম্যহীনবাংলাদেশের স্বপ্ন এখনো বেঁচে রয়েছে।সেই প্রত্যাশাকে ধারণ করে বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি  পুরো জুলাই মাস জুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।প্রধান কর্মসূচিসমূহ: ১। মশাল মিছিল। ২।সংস্কার, বিচার ও জুলাই সনদের দাবিতে গণ স্বাক্ষর। ৩। আহত এবং নিহতদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎকার।৪।জুলাইয়ের বীর সাংবাদিকদের সম্মাননা। ৫।জুলাইয়ের বীর ফ্যাকাল্টিদের সম্মাননা। ৬।ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদি স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা। ৭।জুলাই উপলক্ষে মেডিকেল ক্যাম্পেইন। ৮।জুলাই এর চিঠি অনুলিপি অ্যাম্বাসি/হাই কমিশনে পাঠানো। ৯। জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ। ১০।বিচারের দাবিতে প্রতীকী কফিন মিছিল। ১১।জুলাইয়ের নারী যোদ্ধাদের আবদানে শীর্ষক আলোচনা  কর্মসূচি। ১২।জুলাইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের  সহায়তা করা। ১৩। রক্তাক্ত জুলাই ডকুমেন্টারি প্রদর্শন।১৪। দেওয়াল লিখন ও গ্রাফিতি অঙ্কন। ১৫।রাজনৈতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা। ১৬।আলেম ও উলামাদের নিয়ে জুলাই স্মরণ অনুষ্ঠান। ১৭।প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই স্মৃতিচারণ। ১৮।জুলাই বিজয় র‌্যালী। দাবীসমূহঃ ১।দ্রুততম সময়ে জুলাই গনঅভ্যুত্থানে হত্যাকারীদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। ২।নিহত ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানার্থে প্রতিটি সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্ত্বস্বাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই স্মৃতি কর্ণার’ স্থাপনের মাধ্যমে অভ্যুত্থানের ডকুমেন্ট  আর্কাইভ ও প্রদর্শন করতে হবে। ৩।জুলাইয়ের শহীদ, আহত ও যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সম্মামনা ওখেতাব প্রদান করতে হবে। ৪।রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ সম্পন্ন করে জাতীয় নির্বাচনপ্রদান করতে হবে।

Related Articles

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি

আরও পড়ুন

গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ; দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং গুমের সঙ্গে জড়িত দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman