Somoy News BD

১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী  সংবিধান মূলোৎপাটন করে রাসূলুল্লাহ্ (সা.)  প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠা’ই সমাজ ও  রাষ্ট্রে বিদ্যমান সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান – আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর:
‘ইসলামী সমাজ’ এর আয়োজনে ২৫ এপ্রিল ২০২৬ইং, শনিবার, বিকাল ৩টায়, রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনের রাস্তায় “মানুষের মনগড়া আইনের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সকল সংবিধান, সকল প্রকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, বৈষম্য ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহাসত্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠনে” শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। অবস্থান কর্মসূচিতে দুপুর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী-পুরুষের সমাগম শুরু হয়। ঠিক দুপুর ২:৩০ টায় দারসুল কুরআনের মাধ্যমে “শান্তিপূর্ণ অবস্থান” কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়। অবস্থান কর্মসূচির সার্বিক নেতৃত্বে ছিলেন ‘ইসলামী সমাজ’ এর সম্মানিত আমীর, হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেব। তিনি অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সকল নারী-পুরুষকে ঈমান ও ইসলামের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম তথা খিলাফত প্রতিষ্ঠায় মহাসত্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত থাকায় বিশ্বের মানুষ আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের ভয়াবহ আযাব-গজবের মুখোমুখী অবস্থান করছে এবং তাদের আখিরাতের জীবনও ধ্বংস হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানব রচিত ব্যবস্থা গণতন্ত্র গ্রহণ করে গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব, তাঁরই আইন-বিধানের আনুগত্য এবং তাঁরই মনোনীত সর্বশেষ নাবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর শর্তহীন আনুগত্যের সাথে কুফর ও শিরকে লিপ্ত হয়ে আছে। কুফর এবং শিরকের কারণে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় জীবনে আযাব-গজবের তীব্রতা পরিলক্ষিত হয়েছে। গণতন্ত্র তথা মানব রচিত ব্যবস্থা এবং আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলতে থাকলে ভয়াবহ আযাব-গজব জাতিকে গ্রাস করবে। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, সংঘাত-সংঘর্ষ এবং চলমান সকল সংকট মূলত আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ও মতবাদই ইসলাম বিরোধী ব্যবস্থা তথা জাহিলিয়্যাত- যা মূলতঃ দুনিয়ায় অকল্যাণ ও অশান্তি এবং আখিরাতে জাহান্নামের পথ- এ কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশেরও মূল সমস্যা- প্রধান সমস্যা গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। গাছের মূল রোগাক্রান্ত রেখে গাছের পরিচর্যা যেমন নিষ্ফল ঠিক এ সমস্যার মূলোৎপাটন ব্যতীত কোন সমস্যারই সমাধান সম্ভব নয়। আলকুরআন বিরোধী সংবিধান প্রতিষ্ঠিত রেখে শাসক পরিবর্তন হলেও জাতীয় জীবনের সমস্যাবলীর সমাধান হবে না; বরং সমস্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মূলোৎপাটন করে রাসূলুল্লাহ্ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠা’ই সমাজ ও রাষ্ট্রে বিদ্যমান সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান । সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুনিয়ায় আযাব-গজব এবং আখিরাতে ধ্বংস থেকে বাঁচতে হলে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে খিলাফত তথা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রে “ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হলেই দুর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। ফলে সকল মানুষের জীবনে সুশাসন, ন্যায় বিচার ও ইনসাফ কায়েম হবে, সকল ধর্মের মানুষ যার যার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে। এ লক্ষ্যেই ‘ইসলামী সমাজ’ সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে খিলাফত তথা ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি “মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সকল সংবিধান,সকল প্রকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, বৈষম্য ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে খিলাফত তথা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহাসত্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আন্তরিক আহবান জানান । ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ্’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত “শান্তিপূর্ণ অবস্থানে” আরও বক্তব্য রাখেন- মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, মুহাম্মাদ ইয়াছিন, সোলায়মান কবীর ও আসাদুজ্জামানা বুললবুল প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ‘ইসলামী সমাজ’ এর সকল বিভাগীয়, মহানগর, জেলা ও থানা দায়িত্বশীলগণ এবং সকল পর্যায়ের সদস্য, সদস্যা, শোভাকাঙ্খি ও সমর্থকগণ ।
 

Related Articles

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারকারী চক্রের ০৮ সদস্য সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ

আরও পড়ুন

টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই

আরও পড়ুন

জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman