Somoy News BD

২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

জলাবদ্ধতা, দুষণ ও জনদুর্ভোগ কমাতে খালগুলোর প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার – পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জলাবদ্ধতা, দুষণ ও জনদুর্ভোগ কমাতে দেশের খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় রংপুর জেলার রংপুর সদর উপজেলাধীন শ্যামাসুন্দরী খাল পুনঃখনন, দুষণ রোধ ও বনায়ন কাজ” শীর্ষক প্রকল্পের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার তিনি শ্যামাসুন্দরী খালের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

উপদেষ্টা বলেন, “শ্যামাসুন্দরীর প্রবাহ ফিরিয়ে আনতেই হবে। পানির স্বাভাবিক গতি রক্ষা না করে শহরকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। খাল মানেই শুধু পানি নয়, এটি একটি জীবন্ত প্রতিবেশ। এটি রক্ষা করতে না পারলে জলাবদ্ধতা, দুষণ ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।”

তিনি জানান, খালের ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ৬৮টি বর্জ্য নিষ্কাশন পয়েন্টে ছাকনি বসানো হবে। সেনাবাহিনী স্থাপনার মধ্য দিয়ে খালের প্রবাহ থাকায় তাদের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। খালের স্বাভাবিক প্রবাহে যেসব বাধা রয়েছে তা দ্রুত অপসারণ করা হবে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শ্যামাসুন্দরী খালের জন্য একটি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনের নির্দেশ দেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নগরবাসীকে খাল রক্ষায় সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো: এনায়েত উল্লাহ, রংপুর পাউবো’র প্রধান প্রকৌশলী মো: মাহবুবর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল, বন সংরক্ষক মো: সুবেদার ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নুর আলম, কুড়িগ্রাম পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তিস্তা নদীর তীরে চলমান তীর রক্ষা বাঁধ, গতিয়াসাম ক্লিনিক সংলগ্ন বাঁধ এবং রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার পাঞ্জরভাঙ্গা রেলসেতুর উজানে ডান তীর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় জনগণের সাথেও মতবিনিময় করেন।

Related Articles

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদারে ‘সিটা’ প্রকল্পের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃপরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এমপি বলেছেন, স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (সিটা) প্রকল্প সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে

আরও পড়ুন

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman