Somoy News BD

১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশন কপ১৬-এ খরা ও ভূমি ক্ষয়ের বিরুদ্ধে জরুরি বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার

ডেস্ক নিউজ:
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, খরা ও ভূমি ক্ষয়ের মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় অবিলম্বে সম্মিলিত পদক্ষেপ ও যৌথ বিনিয়োগ প্রয়োজন। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি তুলে ধরে তিনি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের প্রতি জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন ও অভিযোজন কর্মসূচি জোরদার করার আহ্বান জানান।

২ ডিসেম্বর, সোমবার সৌদি আরবের রিয়াদে চলমান জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) ষোড়শ সম্মেলনের মিনিস্টেরিয়াল ডায়ালগ অন ড্রট রেজিলিয়েন্স: ফ্রম জেনেভা টু রিয়াদ অ্যান্ড বিয়ন্ড, এনহাঞ্চিং গ্লোবাল অ্যান্ড ন্যাশনাল পলিসি ইনস্ট্রুমেন্টস ফর আ প্রোঅ্যাকটিভ ড্রাউট ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্রোচ’ শীর্ষক স্পেশাল সেগমেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

নিম্ন অববাহিকার দেশ হিসেবে তিনি সমতার নীতি, ক্ষতি না করা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে অভিন্ন নদী অববাহিকা ও আন্তর্জাতিক পানি সম্পদ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। জাতিসংঘের পূর্বাভাসে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক পানি সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ৪০ শতাংশ ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি পানির অধিকারকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।

উন্নয়ন কার্যক্রমে সাবধানতামূলক নীতির ওপর জোর দিয়ে তিনি পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন (ইএসআইএ), জনসম্পৃক্ততা এবং স্থানীয় জ্ঞানকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানান। পানিনির্ভর শিল্প ও কৃষি চর্চার জন্য টেকসই সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রণিধানযোগ্য নিয়ম প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, কৃষক, বননিবাসী, নারী ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। তিনি প্রযুক্তি, আর্থিক সহায়তা এবং ন্যায়বিচারের সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে এই সম্প্রদায়গুলোকে ক্ষমতায়নের আহ্বান জানান।

পরিশেষে, তিনি ইউএনসিসিডিকে প্রযুক্তি স্থানান্তর সহজতর করতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা দিতে ভূমিকা বাড়ানোর আহ্বান জানান। বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কপ১৬-এর মতো ফোরামের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অধিবেশনে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ‘জাস্টিস এন্ড কেয়ার’-এর সহযোগিতায় আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে “মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০২৬”

আরও পড়ুন

মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বিশ্ববিদ্যালয় লেক হতে পারে নতুন দৃষ্টান্ত —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করা গেলে তা দেশের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শামীমা পারভীন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন

আরও পড়ুন

কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা ঢাকায় ৬২-৬৭ টাকা- ঢাকার বাইরে ৫৭-৬২ ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman