Somoy News BD

১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫: প্রদর্শনীর পুরস্কার বিতরণ ও মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপনী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত প্রদর্শনীর পুরষ্কার বিতরণ ও মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপনী অনুষ্ঠান আজ সন্ধ্যায় পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. মোঃ মোখলেস উর রহমান।

সিনিয়র সচিব বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের সাথে জড়িত বিজ্ঞানী, খামারি ও উদ্যোক্তাদের অবদানের ফলেই আমরা কোরবানির গরু–ছাগলে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছি। তিনি প্রাণিসম্পদ পণ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের লেদার এক্সপোর্টের পেছনে মূল কারিগর হচ্ছে খামারিরা। এ সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রাণিজ খাদ্যের পুষ্টিগুণ আরও বেশি করে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

সিনিয়র সচিব আরও বলেন, আমাদের সুস্থতার জন্য আমিষ অত্যন্ত জরুরি। ফিশারিজ এবং লাইভস্টক সেক্টরই দেশের আমিষ সরবরাহ করছে, যার বড় অংশই আসে খামারি–চাষীদের হাত ধরে। মেলার উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেলার লক্ষ্যই হলো দেশের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সচেতনতা সৃষ্টি এবং উৎপাদন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা।

তিনি বলেন, আমদানি কমিয়ে রপ্তানি বাড়াতে পারলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে। গবেষণা ও ভ্যাক্সিন উৎপাদনে অবদান রাখাদের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। খামারি উন্নয়নে তিনি জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বলেন, যাতে খামারি ও উদ্যোক্তারা খাস জমি ব্যবহারের সুযোগ পান সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন, এই মেলায় প্রাইভেট সেক্টর অসাধারণ অবদান রেখেছে; তারা অগ্রসর হয়ে এসেছে। স্বপ্নকে বড় করতে হবে—স্বপ্ন বড় না হলে বড় অর্জন সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি প্রদর্শনীতে প্রিয় প্রাণী নিয়ে অংশগ্রহণকারী খামারিদের ধন্যবাদ জানান।

সচিব আরো বলেন, প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের আয়োজন সফল করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-সহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) জাকারিয়া,
অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সায়েম উল হক।

উল্লেখ্য, মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্য থেকে ১০ ক্যাটাগরিতে মোট ৩০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

Related Articles

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারকারী চক্রের ০৮ সদস্য সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ

আরও পড়ুন

টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই

আরও পড়ুন

জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman