Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫: প্রদর্শনীর পুরস্কার বিতরণ ও মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপনী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত প্রদর্শনীর পুরষ্কার বিতরণ ও মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপনী অনুষ্ঠান আজ সন্ধ্যায় পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. মোঃ মোখলেস উর রহমান।

সিনিয়র সচিব বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের সাথে জড়িত বিজ্ঞানী, খামারি ও উদ্যোক্তাদের অবদানের ফলেই আমরা কোরবানির গরু–ছাগলে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছি। তিনি প্রাণিসম্পদ পণ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের লেদার এক্সপোর্টের পেছনে মূল কারিগর হচ্ছে খামারিরা। এ সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রাণিজ খাদ্যের পুষ্টিগুণ আরও বেশি করে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

সিনিয়র সচিব আরও বলেন, আমাদের সুস্থতার জন্য আমিষ অত্যন্ত জরুরি। ফিশারিজ এবং লাইভস্টক সেক্টরই দেশের আমিষ সরবরাহ করছে, যার বড় অংশই আসে খামারি–চাষীদের হাত ধরে। মেলার উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেলার লক্ষ্যই হলো দেশের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সচেতনতা সৃষ্টি এবং উৎপাদন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা।

তিনি বলেন, আমদানি কমিয়ে রপ্তানি বাড়াতে পারলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে। গবেষণা ও ভ্যাক্সিন উৎপাদনে অবদান রাখাদের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। খামারি উন্নয়নে তিনি জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বলেন, যাতে খামারি ও উদ্যোক্তারা খাস জমি ব্যবহারের সুযোগ পান সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন, এই মেলায় প্রাইভেট সেক্টর অসাধারণ অবদান রেখেছে; তারা অগ্রসর হয়ে এসেছে। স্বপ্নকে বড় করতে হবে—স্বপ্ন বড় না হলে বড় অর্জন সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি প্রদর্শনীতে প্রিয় প্রাণী নিয়ে অংশগ্রহণকারী খামারিদের ধন্যবাদ জানান।

সচিব আরো বলেন, প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের আয়োজন সফল করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-সহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) জাকারিয়া,
অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সায়েম উল হক।

উল্লেখ্য, মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্য থেকে ১০ ক্যাটাগরিতে মোট ৩০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman