Somoy News BD

৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আমরা একজোটঃশারমিন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, গ্রামের প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  কুইক রেস্পন্স টিম এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজকর্মী দ্রুততার সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আজ ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত Her Dignity, Her Rights: Unit for Stopping Violence Against Women and Children নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আমরা একজোট শীর্ষক জাতীয়  মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় ‘বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদে’ স্বাক্ষরকারী একটি দেশ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা (এসডিজি-৫) অনুযায়ী নারী-পুরুষ সমতা অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে আমরা সচেতন নাগরিক এবং সর্বোপরি মানবিক মানুষ হিসেবে দেশের সকল নারী ও শিশুর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় আমাদের সকলের একটি নৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা মনেকরি নারী নির্যাতনের ধীরগতির আইনি ব্যবস্থাকে দ্রুত বাস্তবায়নের নীতি নীতিনির্ধারক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সচেতনতা এবং সক্রিয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে একটি সমন্বিত ও যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব।
উপদেষ্টা বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এই মতবিনিময় সভায় সকলের মতামত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে যা নারী ও শিশুদের প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতা মোকাবেলা একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহ সিএসও অ্যালায়েন্স, নারী আন্দোলনের প্রতিনিধি, তরুন সমাজ এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, পরিবেশকর্মী, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জাতীয় ঐক্যমত গঠনে সহায়তা করবে এবং একটি কার্যকর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের পথ সুগম করবে। নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে যৌক্তিক ও বিজ্ঞানমনস্ক ন্যায়সঙ্গত দাবির বাস্তবায়নে রাষ্ট্রের পাশাপাশি  দেশের প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বিশিষ্ট আইনজীবী শাহদীন মালিক, অধিকার ও উন্নয়ন কর্মী খুশি কবির, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বক্তৃতা করেন।
ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ডক্টর হোসেন জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী। সভায় নারী ও শিশু অধিকারকর্মী, সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।

Related Articles

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুর: জ্বালানি খাতে শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ কৃত কোম্পানিতে ৫% শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিল (WPPF) অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে

আরও পড়ুন

জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ

আরও পড়ুন

গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের চলমান বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ ও মাছের পোনা উদ্ধারসহ আটক ২৬৫ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌ পথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নৌ পুলিশ দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে

আরও পড়ুন

সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতির কোন কল্যাণ হবে নাঃ                                                                                                                       আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্বই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা এবং মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান আযাব- গজবেরই পথ একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মৌলিক সমস্যা ৩টি: (১ম) মৌলিক সমস্যা- ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। (২য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য স্বীকার এবং (৩য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ধারক-বাহক নেতা বা সরকারের আনুগত্য স্বীকার। তিনি বলেন, মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান না হলে কোন সমস্যার’ই প্রকৃত সমাধান হবে না । বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান হয়নি বিধায়; জাতীয় জীবনে দিন দিন সমস্যা বেড়েই চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও সমস্যাবলীর সমাধানের পরিবর্তে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে- একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন শেখ হাসিনা আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীনে থেকেই একনাগারে প্রায় ১৬ বছর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে প্রশাসনকে তার গোলামে পরিণত করেছিল এবং পুরো জাতিকে তার গোলামে পরিণত করার আয়োজন করেছিল। আলকুরআনের পরিবর্তে কুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার কারণেই আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তার প্রতি চরম অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে এবং তার দলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে কঠিন বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। এ বিপর্যয় মূলতঃ তার এবং তার দলের উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং, বৃহস্পতিবার, সকাল ১১:০০ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে “সমাজ এবং রাষ্ট্রের মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং সমাধানের উপায়” বিষয়ে সাংবাদিক ও সূধীজনদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলেও দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজব থেকে মুক্ত হবে না, কারণ যারাই ক্ষমতায় আসবেন তারা ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সংবিধান সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান- আযাব-গজবের পথ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান ত্যাগ ও অমান্য করে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা। একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র সংবিধান আলকুরআনের আইন-বিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করা, যা কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ। এ পথেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে, সকল মানুষের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। কল্যাণ ও মুক্তির পথেই ‘ইসলামী সমাজ’ এগিয়ে চলছে- একথার উল্লেখ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আহবান জানান ৷ ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল, আবু জাফর মুহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মোঃ আলী জিন্নাহ্, আজমুল হক, মোঃ নুরুদ্দিন, মোঃ সেলিম মোল্লা,, সাইফুল ইসলাম মিঠু ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ ।  

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman