Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশের ইতিহাস ছাত্রজনতার         সংগ্রামের ফল — সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ছাত্রজনতার সংগ্রামের ফল। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পেয়েছি, দেশ পেয়েছি ও পতাকা পেয়েছি। কিন্তু সাম্য, ন্যায় বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। গত ১৫ বছর  অন্যায়, জুলুম, নির্যাতনের পঞ্জিভূত ক্ষোভের ফলে ছাত্রজনতাকে আবারও ২০২৪ সালে সংগ্রাম করতে হলো। জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর জনমানসে জেগেছে বৈষম্যহীন, মুক্ত মানবিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আজ রংপুর শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে উল্লেখ করে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, ২০২৪ সালের মুক্তিযোদ্ধাদের পুর্নবাসন ও দেশ গঠনে কাজে লাগাতে হবে। প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাকে চিহ্নিত করতে হবে। পূর্বের ন্যায় আবারও ভুল করা যাবে না। যে কষ্ট আমরা ৫৩ বছর ধরে বহন করেছি এবং মুক্তিযুদ্ধের নামে বার বার ভুল করেছি সে ভুল আমরা করবো না। ২০২৪ সালে তরুণ সমাজ যেভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ও যে সাহস দেখিয়েছিন তা সারা বিশ্বকে বিস্মিত করেছে। যুগে যুগে এটা নিয়ে গবেষণা হবে। ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে আমারা দ্বিতীয়বার নতুন করে সমাজ গড়ার যে সুযোগ পেলাম তা কাজ লাগাতে হবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, এই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন আবু সাঈদ তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করেছে। আর যারা আহত হয়েছেন তাঁদেরও ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা তাঁদের পাশে থাকবো। আমাদের কাজের সমালোচনা ও তিরস্কার করুন কিন্তু মুখ ফিরিয়ে নিবেন না। কাজ করতে ভুল হতে পারে। ভুল শুধরে এগিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে  মৎস ও প্রাণীসম্পদ উপদেষ্টা মিজ্ ফরিদা আখতার বলেন, আবু সাঈদ সাহসের প্রতীক হয়ে বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত করে দিয়েছে। তাঁর সাহস আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে অন্যদের অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁদের বীরত্বের কাছে আমরা মাথা নত করি। তাঁরা আমাদের যে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সেই স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখতে হবে।
রংপুরের জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন প্রমুখ। বক্তব্য শেষে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদদের ৪৪ পবিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে দুই কোটি বিশ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের পরিবার, সরকারি কর্মকর্তা, শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্য ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে শ্যামলীতে তারেক রহমানের খাদ্য ও বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ

সাইমুল রাজুঃ মহান স্বাধীনতার ঘোষক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামলী ক্লাব মাঠে প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ মানুষের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।

আরও পড়ুন

জাতীয় চিড়িয়াখানায় সাদা মহিষ দেখতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় সম্প্রতি আনা বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাদা মহিষ (অ্যালবিনো বাফেলো) দেখতে দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের পরদিন

আরও পড়ুন

জনসাধারণের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় কাজ করছে বিজিবির ২৩টি টিম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা, মহাসড়ক

আরও পড়ুন

ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার যেকোনো ধরনের অনিয়ম, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman