Somoy News BD

২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশ দূতাবাস, রাবাতে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ দূতাবাস, রাবাতে আজ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন করা হয়েছে। মরক্কোতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মিস সাদিয়া ফয়জুননেসা এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের সম্মানিত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: নুরুল আনোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত যুগ্ম সচিব, মোহাম্মদ আবু নঈম এবং ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপ-পরিচালক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সম্মানিত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: নুরুল আনোয়ার প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকগণের পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহিত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। এছাড়াও তিনি সার্বিক পাসপোর্ট সেবার মান উন্নয়নে এবং সকলের মধ্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে জানান। পরবর্তীতে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রবাসীদের কাছে ই পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।

রাষ্ট্রদূত মহোদয় তাঁর বক্তব্যে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দিক নির্দেশনায় প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর সেবা প্রদানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। মরক্কোর পাশাপাশি ঘানা, গিনি, সেনেগাল ও সিয়েরা লিয়নের জন্যও বাংলাদেশ দূতাবাস, রাবাত সীমিত জনবল থাকা সত্ত্বেও আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দূতাবাস শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নেই নয়, বরং প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং কনস্যুলার কার্যক্রম কার্যকরভাবে সম্পাদন করার ক্ষেত্রেও নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন যে মরক্কোর বিভিন্ন শহরের ভৌগোলিক দূরত্ব, নথিবিহীন প্রবাসীদের জটিলতা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও দূতাবাস কনস্যুলার সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

৬৪তম মিশন হিসেবে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধনের মাধ্যমে মরক্কো ও দূতাবাসের আওতাভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন থেকে আরও উন্নত, দ্রুত ও নিরাপদ কনস্যুলার সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

Related Articles

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স

আরও পড়ুন

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনীতি,

আরও পড়ুন

মিরপুর বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ১১৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman