Somoy News BD

১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

বেদেনা ও তার ছেলের ত্রাসের রাজত্বের অবসানঃদুইটি পিস্তল উদ্ধার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর পশ্চিম ধানমণ্ডি এলাকার মাদক ব্যাবসায়ী ও মহিলা সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত বেদেনা।তার দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ পুরো পরিবার সন্ত্রাসী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি ছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা।

(শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এঁদের বাসায় পুলিশ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। বেদেনার পুরো এলাকা জুড়ে ছিল তাদের আধিপত্য। বেদেনার দুই ছেলে শাকিল ও শান্ত হোসেনের নেতৃত্বে এলাকায় গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী। তাদের বিপক্ষে কেউ কথা বললে দিতে হতো চরম মূল্য। নির্যাতন ও ভুয়া মামলায় দিয়ে করা হতো এলাকা ছাড়া। নেওয়া হত নিজ বাসার তিন তলায় বিশেষ টর্চার সেলে। ইলেকট্রিক শক দিয়ে করা হতো অমানবিক নির্যাতন। রেহাই পাননি জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, শিক্ষক,সদস্যরা এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীরাও।
(গত ৫ অক্টোবর শনিবার) ধানমন্ডি থানার ছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয় বেদেনার ছেলে শাকিল, পরে রাতে তার বাসায় অভিযান চালায় হাজারীবাগ থানা পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার করা হয় দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ ২ টি পিস্তল। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন,, টানা ১যুগের বেশী সময় ধরে বেদেনার দাপট দেখেছেন পশ্চিম ধানমণ্ডি মধুবাজার এলাকার আক্তার হোসেন রোডের এলাকাবাসী ও সাধার মানুষ। মা মে ও দুই ছেলেদের সন্ত্রাসী বাহিনীর নির্যাতনে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন অনেকে। খুনের অভিযোগও কম নয়। তবে অনেক মামলা নিজ ক্ষমতায় গায়েব করে ফেলতেন বেদেনা।

সরেজমিনে গিয়ে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের ওপর ভর করে এতো দূর এলেও রেহায় পাননি তার নির্যাতন থেকে সাধারণ মানুষ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তৎকালীন ধানমণ্ডি জোনের এসি কাফি ও প্রশাসনের সাথে ব্যাপক যোগাযোগ ও গোপন সম্পর্ক ছিল বেদেনার। বিশেষ করে প্রশাসনিক ক্ষমতার বল প্রয়োগ করে ভুয়া মামলায় ফাসিয়েছেন অন্তত শতাধিক মানুষকে। জমি ও বাড়ি দখলসহ, নিজের দখলে নিয়েছেন পুরো এলাকার মাদকের নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট ডিশ লাইন ব্যাবসা। আগামী কাউন্সিলর নির্বাচনে নিজের মেয়েকে ৩৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রচরণাতেও দেখা যায়। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে তাদের সেই ত্রাসের রাজত্বের অবসান হয়েছে। এতদিন ভয়ে মুখ না খুললেও এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেকে বেদেনা ও তার ছেলের বেপরোয়ার কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে মুখ খুলতে শুরু করেছেন এলাকাবাসী।

এবিষয় হাজারীবাগ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম সময় নিউজ বিডিকে বলেন , ধানমন্ডি থানার একটি রিকোজিশন ছিলো যে, যুবলীগ নেতাকে ধানমন্ডি থানায় একটি হত্যা মামলা থাকায় গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই যুবলীগ নেতার নাম শাকিল। ধানমন্ডি থানা জিজ্ঞেসা করলে জানতে পারে তার বাসায় অগ্নেয় অস্ত্র সহ দেশীয় অস্ত্র রয়েছে এরপর হাজারীবাগ থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে দু’টি পিস্তল সহ বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

এবিষয়ে ওসি আরো বলেন, যুবলীগ নেতা শাকিল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ধানমন্ডি এলাকায় ছাত্রদের উপর হামলা চালায় যাঁর প্রমাণ রয়েছে পুলিশের হাতে। তার বাসা থেকে দু’টি আগ্নেয় অস্ত্র সহ দেশী অস্ত্র উদ্ধার হয়, এর মধ্যে চাপাটি ছুরি দা চাকু এবং বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র।

Related Articles

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ

আরও পড়ুন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নাম ভাঙিয়ে গুম ফেরত সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ, কাটা হলো মায়ের লাগানো নারকেলগাছ

বিশেষ প্রতিনিধি, মেহেরপুর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৩ দিন গুম নয় মাস কারাগারে থাকার ঘটনায় আলোচিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের মেহেরপুর শহরের পৈতৃক বসতভিটা

আরও পড়ুন

লোহাগড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রে’ফ’তা’র

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া থানার মামলা নং- ০১(১০)২৬, ধারা: ১১(খ)/১১(গ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি সুমন রহমান @ রকি

আরও পড়ুন

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman