Somoy News BD

২১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

বৈষম্যহীন বক্সিং ফেডারেশন গঠন ও সংস্কারের দাবি

মঞ্জুর: ঢাকা রিপোর্টারর্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে  ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, বৈষম্যহীন বক্সিং ফেডারেশন গঠন এবং সংস্কার আন্দোলনকারীরা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইসতিয়াক আহম্মেদ, মাসুদুর রহমান প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ইসতিয়াক আহম্মেদ। তিনি বলেন, ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের পর ৮ অগাস্ট ২০২৪ রোজ বৃহস্পতিবার সাবেক এবং বর্তমান বক্সারদের কে সমন্বয় করে “বৈষম্যহীন বক্সিং ফেডারেশন গঠন এবং সংস্করণ আন্দোলনে শুরু করি। পরবর্তীতে বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলশ্রুতিতে আজকে আমরা মাননীয় উপদেষ্টা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বরাবর আমাদের ৮ দফা দাবি পেশ করছি। দফা সমূহ : ১. ২০২২ সালের অনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের বিলুপ্তি অবিলম্বে ঘোষনা করতে হবে। ২. তরুন নেতৃত্বের সম্বন্বয়ে একটি এড হক কমিটি গঠন করে গঠনতন্ত্র যুগোপযুগী এবং আধুনিকায়ন করে সকলের অংশগ্রহনে ফেডারেশনের নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। ৩. ভুয়া কাউন্সিলর, ভুয়া ক্লাব চিহ্নিত করে সঠিক কাউন্সিলর এবং ক্লাবের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। ৪. রাজনৈতিক পরিচয়ধারী খেলোয়াড়, কর্মচারী, কর্মকর্তাদের অপসারন করে স্বচছ এবং বৈষম্যের শিকার মেধাবী ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহনে বক্সিং ফেডারেশনের কার্যক্রম পুর্নবহাল করতে হবে। ৫. বিভিন্ন সময়ে একই প্রবীণ ব্যক্তিগন ফেডারেশনের গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বে এসে বক্সিংয়ের অগ্রযাত্রাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বিধায় কার্যনির্বাহী পরিষদে তরুন নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে। ৬. ২০১৮ থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত সকল কার্যক্রমের অডিট নিরপেক্ষভাবে পেশ করতে হবে। ৭. বাহিনী নির্ভর বক্সিং ধারনা থেকে বের হয়ে সিভিল পর্যায়ে জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিক মানের খেলোয়াড় নিশ্চিতকরনে তৃনমূল বক্সিং কোচ/সংগঠক/বক্সারদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ৮. ফেডারেশনে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি এবং স্বতন্ত্র আর্থিক কমিটি গঠন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে এই সার্চ কমিটির সাথে বক্সিং ফেডারেশনের কিছু চিহ্নিত বিগত সরকারের সময় বিভিন্ন সরকারি লোকজনের মদদপুষ্ঠ লোকের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে সুতরাং সার্চ কমিটির প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা বক্সিং ফেডারেশনে যে কোন সিদ্ধান্তে আসার আগে আমাদের টেবিলে আসার সুযোগ দিন আমাদের কথা আপনারা শুনুন। যদি আপনারা একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাহলে বৈষম্যহীন বক্সিং ফেডারেশন গঠন এবং সংস্কারের আন্দোলন আরো জোরদার করতে বাধ্য হব, কোন অবস্থাতেই আমরা বিগত সরকারের মদদপুষ্ট লোকজনের এবং এই ফেডারেশনের যাদের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে এমন কোন লোকজন দ্বারা আমরা আমাদের বক্সিং ফেডারেশন পরিচালিত হতে দেবো না।

Related Articles

ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-১।

আরও পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

মোঃআশরাফুল আলম: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আজ বিকেলে গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার বিকেল ৩টার

আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নিকারের সভা অনুষ্ঠিত

মোঃআশরাফুল আলমঃ আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিবে তাঁর বাসভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের

আরও পড়ুন

গণভোটের লক্ষ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার -অধ্যাপক আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ফ্যসিবাদের নিষ্পেষণে জর্জরিত রাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। আর সেই সংস্কারের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman