Somoy News BD

১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

ভোট ডাকাতি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে দেশ ধ্বংস করেছে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার-কোটালীপাড়ায় সংস্কৃতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বাংলা সাহিত্যের অমর কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈত্রিক ভিটায় আজ থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ‘কবি সুকান্ত মেলা ২০২৬’। বুধবার বিকেলে উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামে কবি সুকান্ত পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী বিগত ১৭ বছরের শাসন আমলকে ‘ফ্যাসিবাদী শোষণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে এ দেশে কোনো সুষ্ঠু বা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়নি। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার নির্বাচনি ব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। দিনের ভোট রাতে করার সংস্কৃতি চালু করে তারা ডিসি, এসপি ও প্রশাসনকে ভোট কাটতে বাধ্য করেছিল।
​গোপালগঞ্জের মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি আরও বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেশ থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দেশ এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মাথায় সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
​সংস্কৃতিমন্ত্রী জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বহুগুণ বাড়াতে হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী কবি সুকান্ত পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটোরিয়াম পরিদর্শন করেন।
​গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী, জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন। আলোচনা সভায় কবির জীবন ও সাহিত্য নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কোটালীপাড়া সরকারি আদর্শ কলেজের প্রভাষক প্রিন্স আহমেদ।
​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী দাড়িয়া, সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।
​উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় কবির প্রতিকৃতিতে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। পরে কোটালীপাড়া উদীচী ও শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মেলার মূল আকর্ষণ হিসেবে মাঠজুড়ে বসেছে গ্রামীণ মেলা, যেখানে লোকজ খাদ্য ও কুটির শিল্পের বাহারি পসরা সাজানো হয়েছে। আগামি ১৫ মে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই মিলনমেলার সমাপ্তি ঘটবে।

Related Articles

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ

আরও পড়ুন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নাম ভাঙিয়ে গুম ফেরত সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ, কাটা হলো মায়ের লাগানো নারকেলগাছ

বিশেষ প্রতিনিধি, মেহেরপুর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৩ দিন গুম নয় মাস কারাগারে থাকার ঘটনায় আলোচিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের মেহেরপুর শহরের পৈতৃক বসতভিটা

আরও পড়ুন

লোহাগড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রে’ফ’তা’র

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া থানার মামলা নং- ০১(১০)২৬, ধারা: ১১(খ)/১১(গ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি সুমন রহমান @ রকি

আরও পড়ুন

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman