Somoy News BD

২১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

স্থানীয়ভাবে গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় জেলা তথ্য অফিসসমূহকে কাজ করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, স্থানীয়ভাবে গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় জেলা তথ্য অফিসসমূহকে কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি স্থানীয় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি প্রচারেও তথ্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। মঙ্গলবার (২২শে এপ্রিল) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

জনসচেতনতা সৃষ্টিতে জেলা তথ্য অফিসের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলাপ্রশাসন, স্থানীয় সাংবাদিক ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। জেলা তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ-কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তথ্য সংরক্ষণ ও প্রচারে তথ্য কমপ্লেক্স কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। মাহফুজ আলম বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ সৃষ্টিতে তথ্য কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি তথ্য কর্মকর্তাদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক বলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের অধীন জেলা তথ্য অফিসসমূহ জনগুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রচারে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তিনি প্রচার কার্যক্রমের মানোন্নয়নে ডিজিটাল ডিসপ্লে-সংবলিত সিনেমাভ্যান সরবরাহের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর পাশাপাশি তিনি বিভাগীয় তথ্য অফিস ও উপজেলা তথ্য অফিস স্থাপনের প্রস্তাব করেন।

সভায় প্রচার কার্যক্রমের মানোন্নয়ন ও রূপরেখা প্রণয়ন, জেলা পর্যায়ে গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ, প্রচারকৌশলের আধুনিকায়ন এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়।

ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল কবীর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মোহা. আবেদ নোমানী, সাবেক সচিব সৈয়দ সুজা উদ্দিন আহমেদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. আব্দুল মান্নান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবু আব্দুল্লাহ-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ মতামত প্রদান করেন।

Related Articles

ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-১।

আরও পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

মোঃআশরাফুল আলম: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আজ বিকেলে গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার বিকেল ৩টার

আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নিকারের সভা অনুষ্ঠিত

মোঃআশরাফুল আলমঃ আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিবে তাঁর বাসভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের

আরও পড়ুন

গণভোটের লক্ষ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার -অধ্যাপক আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ফ্যসিবাদের নিষ্পেষণে জর্জরিত রাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। আর সেই সংস্কারের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman