Somoy News BD

২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ২০২৪ এর পুনর্জন্ম                                                উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ২০২৪ এর পুনর্জন্ম উল্লেখ করে বলেন, জুলাই আগস্ট এর আন্দোলনে আমাদের বাচ্চারা জীবন দিয়ে শিখিয়ে গেছে। সমাজে যে অন্যায়, নির্যাতন ,দুর্নীতির অন্ধকারাচ্ছন্ন থেকে মুক্তি পেতে আলোর পথ দেখাতে সংগ্রাম করেছিল তারা। তিনি বলেন,  মেধার ভিত্তিতে বাংলাদেশ গড়তে চাই, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সমাজ পরিবর্তনে আমাদেরকে এগুতে হবে।

তিনি আজ হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে Accelerating Action to  End Child Marriage in Bangladesh (Phase-ll) প্রকল্পের আওতায় বাল্য বিবাহ নিরোধ : সমস্যা ও করনীয় ” শীর্ষক একটি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন ।

কর্মশালায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বেগম মমতাজ আহমেদ এর সভাপতিতে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের এডোলেসেন্ট এন্ড ইয়ুথ চিফ ইলিজা আজয়েই, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খান এবং স্বাগত বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফিরোজ উদ্দিন খলিফা। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোঃ আব্দুল হালিম।  কর্মশালায় উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার প্রতিনিধিবর্গ বাল্যবিবাহ নিরোধ, সমস্যা ও করণীয় বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা বলেন, বাল্যবিবাহ শিশুদের জন্য একটি বড় অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে মুক্ত পেতে আমাদের সকলের সমন্বিত সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।  তিনি বলেন ,আমাদের দেশে যেখানে নারী নির্যাতন, শিশু বাল্যবিবাহ হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহিলা শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়েকে জানাতে হবে এবং আমরা দ্রুত একশানে যাবো। আমরা মনিটরিং এর মাধ্যমে যদি গ্রামে গ্রামে বাল্যবিবাহ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পারি তাহলে বাল্যবিবাহ কমে আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, বাল্যবিবাহ নিরধে আইনের বিধান আছে তা যথাযথভাবে ইমপ্লিমেন্ট হচ্ছে না, আমাদের এখন সুযোগ এসেছে আমরা সমাজে যেখানে যে দুর্বলতা আছে তা চিহ্নিত করে নতুনভাবে কমিটি করে তা সমাধানে কাজ করতে হবে। যারা কমিটিতে থেকে কাজ করছে না তাদেরকে পরিবর্তন করে  দুর্নীতি মুক্ত, সত্যের পথে এগুতে হবে।

Related Articles

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman