Somoy News BD

২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

কুবিতে আন্দোলনকারীর ওপর ছাত্রলীগের হামলা

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীকে মারধর করেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সোমবার  (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনা সামনে এই ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার আন্দোলনকারী গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ফরহাদ কাউসার।

এছাড়া মারধরকারী হিসেবে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হলেন- শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক রবিন দাশ, উপ-নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আলম রিয়াজ, ছাত্রলীগ কর্মী আক্তারুজ্জামান পাভেল, ব্যবসা শিক্ষা অনুষদ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুর রহমান রাফি, ছাত্রলীগ কর্মী জুনায়েদ লামিম, অর্ণব সিংহ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আসিফ এনতাজ রাব্বি।  এদের অনেকেই শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহর গ্রুপের কর্মী। এছাড়া মারধরের সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আগামী কমিটির পদপ্রত্যাশী মেজবাহউল হল শান্ত উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফরহাদ কাউসার বলেন, আমি রাতের বাসে শহর থেকে টিউশন করে এসে ক্যাম্পাস গেইট নামি। এরপর আমাকে কয়েকজন ডেকে নিয়ে যান। তারা আমার ফোন কেঁড়ে নিয়ে লক খুলতে বলেন এবং জানতে চান আমি কোটা বিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত আছি কি না। তারা আমার ফোন চেক করতে থাকা অবস্থায় রবিন দাশ প্রথমে আমাকে মারধর করতে শুরু করেন। এরপর পাভেল, রাফি, শান্ত, রিয়াজ, রাব্বি আমাকে মারধর করেন।

অভিযুক্তদের একাধিক কল দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি৷

এই বিষয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুবি শাখার সমন্বয়কদের একজন মো. সাকিব হোসাইন বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই আজকের সকল কর্মসূচি পালন করেছিলাম। কিন্তু এই যে হামলা সেটিতে আমরা মর্মাহত। পাশাপাশি তার ফোন চেক করা একপ্রকার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্গন করা হয়েছে। আমরা এর যথাযথ বিচার চাই।’
এর বিপরীতে উনাদের কর্মসূচির বিষয় তিনি বলেন, ‘আমরা প্রশাসন বরাবর অভিযোগ দিবো। তারা যদি যথাযথ বিচার না করেন তাহলে আমরা আদালত পর্যন্ত যাবো।’

ছাত্রলীগের আগামী কমিটিতে পদপ্রত্যাশী নেতা এনায়েত উল্লাহ এই মারধরের বিষয়ে বলেন, ‘আমি যতটুকু শুনেছি, কালকে রাজাকার স্লোগানের পর ছাত্রলীগ তাদের প্রতিহত করে। আজকেও ওদের সাথে কথা-কাটাকাটির হয়েছে। এক পর্যায়ে ওদের একজনের সাথে মারামারি হয়। আমরা তিন হলের সবাই বিষয়টি নিয়ে অবগত রয়েছি। সকলে বসে একটা সমাধানে আসব।’

কুবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠিক সম্পাদক আবু সাদাত সায়েম জানান, ‘এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেব, যাতে কেউ বঙ্গবন্ধু হলের শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলার সাহস না পায়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী বলেন, ‘ আমি খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। তারপর প্রক্টরিয়াল বডির সাথে মিলে ছাত্রদের থামানোর চেষ্টা করি। আমরা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, আমরা এই বিষয় কোনো অভিযোগ পাই নি। এই বিষয়ে অভিযোগ এলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

Related Articles

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman