Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেই মানুষ মানুষের গোলামী থেকে মুক্ত হবে-আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, মানব রচিত ব্যবস্থার অধীনে বন্দি হয়ে বিশ্বের মানুষ মানুষের গোলামে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অধীনে বন্দি হয়ে মানুষের গোলামী করছে। সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহর পরিবর্তে মানুষের গোলামী করার কারণে বহুবিধ সমস্যায় জড়িয়ে অশান্তির আগুনে জ্বলছে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিলুপ্ত হয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেই মানুষ মানুষের গোলামী থেকে মুক্ত হবে। মানুষের গোলামীর শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে মানুষ সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর গোলাম হতে পারলেই মূলতঃ স্বাধীনতা অর্জিত হবে। ‘ইসলামী সমাজ’ এর উদ্যোগে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং, শনিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইসলামী সমাজের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন এর সঞ্চালনায় সকল প্রকার ক্ষতি থেকে বাঁচার লক্ষ্যে “মানুষের গোলামী থেকে মুক্তির উপায়” বিষয়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সংগঠনের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে ‘ইসলামী সমাজ’ সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রসহ সকল মানব রচিত ব্যবস্থার অধীনে গঠিত ও পরিচালিত সমাজের বিপরীতে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ শাসন-কর্তৃত্বের অধীনে গঠিত ও পরিচালিত সমাজ’ই মূলতঃ ইসলামী সমাজ। মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন কর্তৃত্ব ত্যাগ করে একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্ব গ্রহণকারী লোকদের নিয়ে আল্লাহর মনোনীত আমীরের নেতৃত্বে ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলন চলতে থাকলে আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছায় মানব রচিত ব্যবস্থার

ভিত্তিতে নেতৃত্বদানকারী নেতাদের পতন ঘটবে এবং তাঁরই বিশেষ সাহায্য ও রহমতে ইসলামী সমাজের নেতৃত্ব সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। আর তখনি ইসলামী সমাজ পর্যায়ক্রমে ইসলামের আইন-বিধান মানুষের জীবনে প্রতিষ্ঠা করবে। তাহলেই মানুষের গোলামী থেকে মুক্তি লাভ করে মানুষ আল্লাহর গোলামে পরিণত হবে- এটাই মানুষের গোলামী থেকে মুক্তি লাভের উপায় । দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি মানুষের গোলামী থেকে মুক্ত হয়ে একমাত্র আল্লাহর গোলাম হওয়ার জন্য ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানান ৷ মানববন্ধন থেকে সকল মানুষের কল্যাণে কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সেপ্টেম্বর ২০২৪ ঈসায়ী মাসব্যাপী শান্তিপূর্ণ ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। (১) ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং, রবিবার, সকাল ১১ টায় ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা’র নেতৃত্বে ১২ সদস্য বিশিষ্ট্য প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে ‘ইসলামী সমাজ’ এর সম্মানিত আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেবের লিখিত চিঠি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জনাব ড. মুহাম্মাদ ইউনুস সাহেবের নিকট তার কার্যালয়ে প্রদান করা হবে, এ লক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে সকাল ১০ টায় প্রতিনিধি টিম প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা শুরু করবে ইনশাআল্লাহ । (২) ‘ইসলামী সমাজ’ ময়মনসিংহ বিভাগ এর দায়িত্বশীল, জনাব সোলায়মান কবীরের নেতৃত্বে একটি টিম ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে- ৮ সেপ্টেম্বর হতে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং পর্যন্ত, রংপুর বিভাগ এর দায়িত্বশীল, জনাব মোঃ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম রংপুর বিভাগীয় শহরে- ৯ সেপ্টেম্বর হতে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, রাজশাহী বিভাগ এর দায়িত্বশীল, জনাব হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম রাজশাহী বিভাগীয় শহরে- ১০ সেপ্টেম্বর হতে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, খুলনা বিভাগীয় অঞ্চল-২
এর দায়িত্বশীল, জনাব আসাদুজ্জামান বুলবুল এর নেতৃত্বে একটি টিম কুষ্টিয়া জেলা শহরে- ১১ সেপ্টেম্বর হতে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-৩ এর দায়িত্বশীল, মোঃ সেলিম মোল্লা’র নেতৃত্বে একটি টিম ফরিদপুর জেলা শহরে- ১২ সেপ্টেম্বর হতে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল জনাব মুহাম্মাদ ইয়াছিন এর নেতৃত্বে একটি টিম নারায়ণগঞ্জ মহানগরে ১৩ সেপ্টেম্বর হতে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং পর্যন্ত গণসংযোগ, পথসভা ও লিফলেট বিলি করবে ইনশাআল্লাহ। (৩) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং ময়মনসিংহ মহানগর, ১৭ সেপ্টেম্বর রংপুর মহানগর, ১৮ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মহানগর, ১৯ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া জেলা শহর, ২০ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর জেলা শহর এবং ২১ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগরে মানবাধিকার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ । মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ, আসাদুজ্জামান বুলবুল, আবু বকর সিদ্দিক, মোঃ নুরুদ্দিন, সেলিম মোল্লা, আজমুল হক, সাইফুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ ।

Related Articles

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও

আরও পড়ুন

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের

আরও পড়ুন

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ,  চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা হতে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের আয়না, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এর কোনো বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম শুধু রাষ্ট্রের আয়নাই নয়, আধুনিক সভ্যতা ও সমাজব্যবস্থার একটি অপরিহার্য উপাদান। রাষ্ট্র, সমাজ ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman