Somoy News BD

২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

লোহাগড়া উপজেলায় দেহ ব্যবসা ও মাদক কারবারীর প্রতিবাদ করায় মা ও মেয়েকে বেধরক মারপিট থানায় অভিযোগ

মোঃ শরিফুল মোল্লা নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ
নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার
৫ নং লক্ষ্মী পাশা ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের দাশের ডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জেসমিন বেগম ( ৫৩ ) স্বামী এবাদুল রেজা ( ৫৫) গ্রাম দাসের ডাঙ্গা সাংবাদিকদের বলেন ।
২ নভেম্বর ২০২৪ রাত ১:৩০ মিনিটের সময় সাজিয়া বেগম (২৫) পিতা করিম সিকদার । ঘরের ভিতরে লোহাগড়া পৌরসভার মোচড়া গ্রামের পল্টু মোল্লার (৩৫) কে লইয়া ইয়াবা সেবন করিয়া অবৈধ কাজে লিপ্ত অবস্থায় আমরা হাতেনাতে ধরি এবং ভিডিও ফুটেজ ধারণ করি। সাজিয়া ও তার পরিবার ইয়াবা গাঁজা ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসা করে আসিতেছেন এবং সাজিয়া পূর্বে থেকে দেহ ব্যবসা করে আসিতেছেন আমাদের বাড়ি সাজিয়ার বাড়ি আমার বাড়ি একই উঠানে হাওয়ায় ইয়াবা সেবনের গন্ধ নাকে আশায় আমরা ঘরের ভেতর প্রবেশ করিয়া বেপর্দা অবস্থায় পল্টু মোল্লার সাথে আপত্তিকার অবস্থায় দেখতে পেয়ে।
ভিডিও ধারণ করি আমাদের আত্মচিৎকারে ।আশেপাশের লোকজন এসে বিষয়টি দেখতে পাই।
পল্টু মোল্লা হাতে পায়ে ধরে লক্ষ্য চোখুর আড়ালে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালিয়ে চলে যান ।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ায় তিন নভেম্বর সাজিয়া ও সাজিয়ার মদক দাতা গণ আমার ঘরে ভেতর আসিয়া আমাকে ও আমার মেয়ে কামরুন নাহার এবং আমার যা শিউলি বেগম ও শিউলির মেয়ে রাবেয়া উক্ত ঘটনায় দেখতে পেয়েছেন বলে সকলকে বেধড়ক মারপিট করেন। আমার পেটে লোহার ছুরি দিয়ে আঘাত করতে গেলে আমি বাম হাত দিয়ে ঠেকাইয়া দিলে আমার বাম হাতের কব্জি দ্বিখণ্ডিত হয়।
আশেপাশের লোকজন আমাদের ডাক চিত কারে আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে আমার মেয়ে কামরুল নাহারকে ।
ও আমার যা শিউলি বেগমকে লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ধীন অবস্থায় ভর্তি করেন।
উক্ত এলাকায় বিভিন্ন জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায় সাজিয়া ২০১১ সালে লোহাগাড়া থানায় একটি দেহভিত্তিক মামলা হয় ।
এবং একাধিক বিবাহে আবদ্ধ হয় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের সদ্য ছায়ায় সাজিয়া ও তার মা লাকি বেগম এবং ছোট বোন সোহানা পিতা করিম সিকদার মাদক ব্যবসা সহ দেহ ব্যবসা কাজে লিপ্ত আছেন।
এ বিষয়ে সাজিয়ার সাথে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। উক্ত ঘটনায় জেসমিন বেগম বাদী হয়ে লোহাগড়া থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন । এবিষয়ে লোহাগড়া থানার এসআই আবু শুকুর এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে । বলেন অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Related Articles

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ দুপুর ১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়া ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে

আলী আহসান রবিঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহামান্য দাতো’ সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য তারেক রহমান ২২ জুন ২০২৬ তারিখে মালয়েশিয়া সফর করেন। ২.

আরও পড়ুন

যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে—সংস্কৃতি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গান হলো ফুলের মতো। যারা ফুলকে ভালোবাসে না তারা যেকোনো নির্মম অপরাধও করতে পারে। পৃথিবীর বুকে মানুষের ভাষা সৃষ্টির আগেই গানের জন্ম হয়েছে।

আরও পড়ুন

জাতীয় চা দিবস-২০২৬: বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেল দেশের শীর্ষ চা বাগান ও প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শীর্ষ চা বাগান, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman