Somoy News BD

২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

রাইসুল ইসলাম জুয়েলের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক: গতকাল ১৫ এপ্রিল ২০২৫ ঢাকা ক্রাইম রিপোর্টার্স  এসোসিয়েশনের তৃতীয় তলায় ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার অন্যতম দোসর ও অর্থের যোগানদাতা রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার ছেলে দেয়া একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকির বিচার চেয়ে রাইসুল ইসলাম জুয়েলের সংবাদ সম্মেলন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বছর ২০ ফেব্রুয়ারী রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানের ছেলে মেহেদী হাসান দিপুর কাছ থেকে ৩ বছরের চুক্তিতে বনানী থানাধীন রোড নং-১৭, বাসা নং-৫৯, হোটেল ইউনিক রিজেন্সীর রুফটপের রেস্টুরেন্টটি পার্টনাশীপ ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকি। আমি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করার পর থেকে ০৬ মাস পর্যন্ত তারা আমাকে ভ্য্যাট, ট্যাক্স ও সার্ভিস চাজের্র কোন টাকা পরিশোধ করেনি। পরবর্তীতে মেহেদী হাসান দিপু ও তার বাবা রফিকুল ইসলাম আমাকে কোন কিছু না জানিয়ে রেস্টুরেন্টে তালা লাগিয়ে দেয়।কারন জানতে চেয়ে তাদের সাথে কথা বললে তারা আমাকে জানায় আমাকে ব্যবসা করতে দিবে না। রেষ্টুরেন্ট অন্যত্র ভাড়া দিয়ে দিবে। চুক্তি অনুযায়ী ০৩ (তিন) বছর পূর্ণ হওয়ার আর্গে আমাকে ব্যবসা করতে না দেয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তারা কোন সদুত্তর না দিয়ে উল্টো আমাকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি হুমকি দিতে থাকে। পরবর্তীতে রেস্টুরেন্টে আসবাবপত্র, ইন্টেরিয়র ও বিভিন্ন ইকুপমেন্ট, ভ্যাট, ট্র্যোক্স ও সার্ভিস চার্জ বাধদ সর্বমোট ২৭,৮০,০০০/- (সাতাশ লক্ষ আশি হাজার) টাকা পরিশোধের নিমিত্তে গত ইং ১৬/১০/২০২৪ তারিখ তাদের লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করি। এরপর তারা শীঘ্রই আমার সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করবে বলে আশ্বাস দিলেও বিষয়টি সমাধান না আমাকে ঘুরাতে থাকে। এর মধ্যে  ১৪/১১/২০২৪ তারিখ ২য় লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করলেও তারা কোন উত্তর না দিয়ে রেস্টুরেন্টটি অন্যত্র ভাড়া দিয়ে দেয়। আমার পাওনা টাকা চাইলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। এই ঘটনায় বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করি। এরপর থেকে রংধনু গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিদিনের বাংলাদেশ নামক পত্রিকা ও তাদের অনলাইনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে। যে সব ঘটনা ও অভিযোগে আমাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তার সাথে সত্যোর কোন সম্পর্ক নেই। শুধু তাই আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। শুধু আমাকেই নয় রংধনু গ্রুপের রেষ্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান মাদকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদেরও নাজেহাল করছে তারা। রংধনু গ্রুপের মালিক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অর্থ যোগানদাতার মধ্যে অন্যতমদের একজন। বিগদ ফ্যাসিষ্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এখনো তাদের প্রভাব খাটিয়ে আমার অন্যায়ের স্টীম রোলার চালাচ্ছেন। ছাত্র জনতার রক্তে অর্জিত নতুন বাংলাদেশেও কি তা হলে আমরা ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে রক্ষা পাবো না।

এব্যপারে তদন্ত করে ন্যায় বিচারের জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Related Articles

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি

আরও পড়ুন

গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ; দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং গুমের সঙ্গে জড়িত দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman