Somoy News BD

২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

অসচ্ছল, অসুস্থ ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাঝে ক্রীড়াভাতা বিতরণ উদ্বোধন করলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ২০ এপ্রিল (রবিবার) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাঝে ক্রীড়াভাতা বিতরণী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে অনেক ক্রীড়াবিদ রয়েছেন যাদের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আর কোন আয়ের উৎস থাকে না। আমাদের দেশের স্পোর্টস ইকোসিস্টেম না থাকার কারণে সাবেক খেলোয়ারদের এমপ্লয়মেন্টের খুব অল্প সুযোগ থাকে। আমরা এ সকল বিষয়গুলোকে এড্রেস করছি এবং এগুলো উত্তরণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে তবে সম্পূর্ণ ফলাফল আসতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হবে। এই সময়ের মধ্যে যে অসমর্থ ক্রীড়াবিদ রয়েছেন যারা দেশকে সার্ভ করেছেন, দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন তাদের সহযোগিতার জন্য এই ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কাজ করছে।

উপদেষ্টা বলেন, ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কর্ম-পরিধি বৃদ্ধির জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর থেকে ক্রীড়াসেবীদের মাঝে মাসে ২০০০ টাকা করে বাৎসরিক ২৪ হাজার টাকার পরিবর্তে মাসে ৩০০০ টাকা করে বছরে ৩৬ টাকা প্রদান করা হবে। ভবিষ্যতে এই টাকার পরিমানটা আরো বৃদ্ধি করা হবে।

উপদেষ্টা আরো বলেন, সারাদেশে তারুণ্যের উৎসব একটি সফল কর্মসূচি হিসেবে পালিত হয়েছে। প্রায় ৪৬ হাজার ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে যাতে প্রায় দেড় কোটি তরুণ অংশগ্রহণ করেছেন। যখন একটি সমাজে খেলাধুলার প্রাধান্য থাকে তখন যুব সমাজ মাদকসহ নানান ধরনের ইভিল প্রেক্টিস হতে দূরে থাকে। সেই দিক বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারুণ্যের উৎসব সারা বছরব্যাপী চলমান থাকবে এবং আরো নতুন নতুন অনেক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে।

তিনি বলেন তারুণ্যের উৎসবকে সফল করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় এবং বাফুফের সহযোগিতায় দেশে ৬৪ টি জেলায় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে। ক্রীড়াক্ষেত্রে স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে ক্রীড়া আনুরাগীদের কে নিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রায় ৫১ টি জেলায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গঠন করা হয়েছে বাকিগুলো কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে রাজস্ব বাজেটের ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা বিইএফটিএন (BEFTN) মাধ্যমে ১৬৫২ জন ক্রীড়াসেবীর স্ব স্ব হিসাব নম্বরে প্রদান করা হয়।

Related Articles

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman