Somoy News BD

২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

দেশে নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবার মান নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড কাজ করছে- বিশ্ব এ্যাক্রেডিটেশন দিবসের অনুষ্ঠানে শিল্প উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা। এলক্ষ্যে বাংলাদেশ এ্যাক্রডিটেশন বোর্ড (বিএবি) দেশের বিদ্যমান খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবায় কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানের মাধ্যমে ভোক্তার আস্থা তৈরিতে কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা অর্থনীতির মেরুদণ্ড এবং মূল চালিকা শক্তি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জিডিপিতে এই খাতের রয়েছে বড় অবদান। এ্যাক্রেডিটেশন সনদ এসএমই খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং বৈশ্বিক বাজারে তাদের প্রতিযোগিতা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শিল্প উপদেষ্টা বলেন, বিএবি এ পর্যন্ত ৯০টি টেস্টিং ল্যাবরেটরি, ২২টি ক্যালিব্রেশন ল্যাবরেটরি, ০৯টি মেডিকেল ল্যাবরেটরি, ৩০টি পরিদর্শন সংস্থা ও ০৪ টি সনদ প্রদানকারী সংস্থাসহ মোট ১৫৫ টি প্রতিষ্ঠানকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। এছাড়া দেশে বিদ্যমান বিভিন্ন সংস্থায় গুণগত মান ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠায় কর্মরত ২ হাজার ৮৯৩ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে।

শিল্প উপদেষ্টা আজ ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) মিলনায়তনে বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) আয়োজিত বিশ্ব এ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান, বিআইএম’র মহাপরিচালক ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম ও এসএমই ফাউন্ডেশনের এমডি আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন বিএবির মহাপরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহ।

এ বছর ‘বিশ্ব এ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৫’-এর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “Accreditation: Empowering Small and Medium Enterprises (SMEs)”। এ বিষয়ে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন এসএমই ফাউন্ডেশনের উপমহাব্যবস্থাপক ফাহিম বিন আসমত। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, মান ও এ্যাক্রেডিটেশন খাতের বিশেষজ্ঞ, বাণিজ্য সংগঠন এবং শিল্প ও ব্যবসায়িক খাতের প্রতিনিধিগণ।

Related Articles

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদারে ‘সিটা’ প্রকল্পের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃপরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এমপি বলেছেন, স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (সিটা) প্রকল্প সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে

আরও পড়ুন

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman