Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। জাতির আত্মপরিচয়, ভাষার মর্যাদা এবং স্বাধীনতার সংগ্রামে ভাষা আন্দোলনের অমর অবদান স্মরণে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়।

নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি’র নেতৃত্বে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁরা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় হিসেবে অভিহিত করেন। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একুশের প্রথম প্রহরে তিনি তাঁর শৈশবস্মৃতি-জড়িত নিজ এলাকা মোল্লারহাট উপজেলায় নাশুখালী সোসাল ওয়েলফেয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নির্মিত শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তিনি ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব ও আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। তাঁদের আত্মত্যাগ চিরকাল জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে আমরা এক গর্বিত জাতি। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে জীবনদানের অনন্য দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল। একুশের চেতনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালির আত্মমর্যাদা রক্ষার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়, যা পরবর্তীকালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি রচনা করে। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছিল, তা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে চির অম্লান হয়ে থাকবে।

তাঁরা আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা কেবল আবেগের বিষয় নয়; এটি দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের প্রতীক। রাষ্ট্রীয় সেবায় নিয়োজিত প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর উচিত ভাষা আন্দোলনের আদর্শ ধারণ করে সততা, দক্ষতা ও জনগণের কল্যাণে কাজ করা। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনসেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনের প্রেরণা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Related Articles

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের

আরও পড়ুন

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ,  চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা হতে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের আয়না, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এর কোনো বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম শুধু রাষ্ট্রের আয়নাই নয়, আধুনিক সভ্যতা ও সমাজব্যবস্থার একটি অপরিহার্য উপাদান। রাষ্ট্র, সমাজ ও

আরও পড়ুন

দেশীয় পশুতেই শতভাগ কোরবানি সম্পন্ন, দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার পশু — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman