Somoy News BD

২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

জিয়া পরিবারের কাছে আমরা চিরঋণী : সংসদে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটতে পারে—এমন সব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বিরোধীদলের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন। একইসঙ্গে তিনি নিজের রাজনৈতিক ভিত্তি, নির্বাচনী এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি। তাঁর আদর্শ, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বই আমাকে রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁর দেখানো পথেই আমি জনসেবার দীক্ষা নিয়েছি এবং আজ এই সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছি। আমার বাবার পর আমিও এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। তিনি বলেন, সেজন্য জিয়া পরিবারের কাছে আমি ও আমার পরিবার চির ঋণী।
নিজের নির্বাচনী এলাকা ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) এর জনগণের প্রতি গভীর আবেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নান্দাইলের মাটি ও মানুষই আমার শক্তির মূল উৎস। নান্দাইলের প্রতিটি ভোটার আমাকে যে অকুন্ঠ সমর্থন ও ম্যান্ডেট দিয়েছেন, আমি তা আজীবন মনে রাখব। জনগণের দেওয়া আস্থার মর্যাদা রক্ষা করা আমার প্রধান ব্রত। নান্দাইলের মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি সর্বদা আপসহীন থাকব।’
তিনি বলেন, নান্দাইলের মানুষ আমার বাবা আনোয়ার হোসাইন খান চৌধুরীকে এই মহান সংসদে পাঠিয়েছিল। তেমনিভাবে আমাকেও তারা এই মহান সংসদে পাঠিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নান্দাইলের একজন কৃষকের স্বপ্ন, যুবকের স্বপ্ন, শিক্ষার্থীর স্বপ্নই আমার স্বপ্ন।

তিনি নান্দাইলের সাড়ে ১২শত কিলোমিটার কাঁচা সড়কের বেহাল দশা সম্পর্কে সংসদকে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে তার প্রতিকার চান।
তিনি বলেন, আমরা বেহেস্তের টিকেট বিক্রি করে ভোট চাইনি। আমাদের ভোট চাওয়ার প্রধান যোগসুত্র ছিল আমাদের ইশতেহার। যেটা আামদের প্রধানমন্ত্রীর সুচিন্তিত চিন্তার ফসল।
সড়কে চলাচলে ভিআইপি মুভমেন্ট তুলে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকেন। সড়কে এখন আর ভিআইপির যন্ত্রণা মানুষকে পোহাতে হয় না।

সংসদে বিরোধীদলের কার্যক্রমের সমালোচনা করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা খাল কেটে কুমির আনবেন না। এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে বাংলাদেশে আবার সেই পুরোনো ফ্যাসিস্টরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।’

বিগত সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার ভাষায় বলতে হয়—কাঙালের ধন চুরি করতে করতে তারা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে, তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল।’

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করে। এই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ‘ইফ’ বা ‘বাট’ নেই। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কেউ জুলাই সনদকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করে অথবা জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর অপচেষ্টা করে, তবে তা হবে আত্মঘাতী।’

তিনি কঠোর ভাষায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যেভাবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের একক সম্পত্তি মনে করেছিল, জুলাই সনদ নিয়ে একই কাজ করা ভুল এবং আত্মঘাতী হবে। এটা জনগণের সনদ, কারো দলীয় দলিল নয়।’

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বিরোধীদলের প্রতি গঠনমূলক রাজনীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মুখে মধু আর অন্তরে বিষ রেখে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা যেন বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করি।’

দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে নতুন কোনো ষড়যন্ত্রের ন্যারেটিভ তৈরি না করে সংসদে গঠনমূলক রাজনৈতিক বিতর্ক করার জন্য বিরোধী জোটের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Related Articles

তথ্যমন্ত্রীর সাথে সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন ও প্রেস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজ পেপার প্রেস ওয়ার্কার্সের একটি

আরও পড়ুন

গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী  সংবিধান মূলোৎপাটন করে রাসূলুল্লাহ্ (সা.)  প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠা’ই সমাজ ও  রাষ্ট্রে বিদ্যমান সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান – আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আয়োজনে ২৫ এপ্রিল ২০২৬ইং, শনিবার, বিকাল ৩টায়, রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনের রাস্তায় “মানুষের মনগড়া আইনের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সকল সংবিধান, সকল প্রকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, বৈষম্য ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহাসত্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠনে” শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। অবস্থান কর্মসূচিতে দুপুর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী-পুরুষের সমাগম শুরু হয়। ঠিক দুপুর ২:৩০ টায় দারসুল কুরআনের মাধ্যমে “শান্তিপূর্ণ অবস্থান” কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়। অবস্থান কর্মসূচির সার্বিক নেতৃত্বে ছিলেন ‘ইসলামী সমাজ’ এর সম্মানিত আমীর, হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেব। তিনি অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সকল নারী-পুরুষকে ঈমান ও ইসলামের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম তথা খিলাফত প্রতিষ্ঠায় মহাসত্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত থাকায় বিশ্বের মানুষ আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের ভয়াবহ আযাব-গজবের মুখোমুখী অবস্থান করছে এবং তাদের আখিরাতের জীবনও ধ্বংস হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানব রচিত ব্যবস্থা গণতন্ত্র গ্রহণ করে গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব, তাঁরই আইন-বিধানের আনুগত্য এবং তাঁরই মনোনীত সর্বশেষ নাবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর শর্তহীন আনুগত্যের সাথে কুফর ও শিরকে লিপ্ত হয়ে আছে। কুফর এবং শিরকের কারণে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় জীবনে আযাব-গজবের তীব্রতা পরিলক্ষিত হয়েছে। গণতন্ত্র তথা মানব রচিত ব্যবস্থা এবং আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলতে থাকলে ভয়াবহ আযাব-গজব জাতিকে গ্রাস করবে। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, সংঘাত-সংঘর্ষ এবং চলমান সকল সংকট মূলত আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ও মতবাদই ইসলাম বিরোধী ব্যবস্থা তথা জাহিলিয়্যাত- যা মূলতঃ দুনিয়ায় অকল্যাণ ও অশান্তি এবং আখিরাতে জাহান্নামের পথ- এ কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশেরও মূল সমস্যা- প্রধান সমস্যা গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। গাছের মূল রোগাক্রান্ত রেখে গাছের পরিচর্যা যেমন নিষ্ফল ঠিক এ সমস্যার মূলোৎপাটন ব্যতীত কোন সমস্যারই সমাধান সম্ভব নয়। আলকুরআন বিরোধী সংবিধান প্রতিষ্ঠিত রেখে শাসক পরিবর্তন হলেও জাতীয় জীবনের সমস্যাবলীর সমাধান হবে না; বরং সমস্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মূলোৎপাটন করে রাসূলুল্লাহ্ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠা’ই সমাজ ও রাষ্ট্রে বিদ্যমান সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান । সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুনিয়ায় আযাব-গজব এবং আখিরাতে ধ্বংস থেকে বাঁচতে হলে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে খিলাফত তথা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রে “ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হলেই দুর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। ফলে সকল মানুষের জীবনে সুশাসন, ন্যায় বিচার ও ইনসাফ কায়েম হবে, সকল ধর্মের মানুষ যার যার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে। এ লক্ষ্যেই ‘ইসলামী সমাজ’ সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে খিলাফত তথা ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি “মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সকল সংবিধান,সকল প্রকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, বৈষম্য ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে খিলাফত তথা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহাসত্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আন্তরিক আহবান জানান । ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ্’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত “শান্তিপূর্ণ অবস্থানে” আরও বক্তব্য রাখেন- মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, মুহাম্মাদ ইয়াছিন, সোলায়মান কবীর ও আসাদুজ্জামানা বুললবুল প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ‘ইসলামী সমাজ’ এর সকল বিভাগীয়, মহানগর, জেলা ও থানা দায়িত্বশীলগণ এবং সকল পর্যায়ের সদস্য, সদস্যা, শোভাকাঙ্খি ও সমর্থকগণ ।  

আরও পড়ুন

এবছর ৬টি পাটকল লীজে দেওয়া হবে,বাড়াবে কর্মসংস্থান- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এই বছর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের বন্ধ পাটকলগুলো পুনরায় চালু করে নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রফতানি আয় বাড়াতে সরকার পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং জাতিসংঘ নারী বিষয়ক সংস্থা (ইউএন উইমেন) যৌথভাবে আয়োজিত জাতীয় নীতিগত অঙ্গীকার ও কৌশলগত অগ্রাধিকার বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং জাতিসংঘ নারী বিষয়ক সংস্থা (ইউএন উইমেন) এর যৌথভাবে আয়োজিত জাতীয় নীতিগত অঙ্গীকার ও কৌশলগত

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman