Somoy News BD

২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

বিশ্বব্যাপী সংঘাতময় পরিস্থিতি আল্লাহর গজবের ফল: ইসলামী সমাজের আমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত, সংঘর্ষ ও অস্থিরতা মূলত আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি দাবি করেন, কুফর ও শিরকের প্রসারের কারণেই বিশ্বজুড়ে এই অশান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইসলামী সমাজ আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনের সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী দায়িত্বশীল আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ।
হুমায়ূন কবীর বলেন, বর্তমানে রাজনীতির নামে বিশ্বব্যাপী মানুষে মানুষে বিভাজন, প্রতিহিংসা ও সহিংসতা বাড়ছে। ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ইরান ও ফিলিস্তিনের সঙ্গে ইজরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘর্ষ বিশ্ব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশেও দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, জ্বালানি সংকট, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ নানা অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে এবং সমাজে অস্থিতিশীলতা বাড়ছে।
রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করলেও তা আল-কুরআনবিরোধী সংবিধানের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। এর ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সামাজিক নৈরাজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সমাধান হিসেবে তিনি আল-কুরআনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের মাধ্যমে ঈমান গ্রহণকারীদের নিয়ে আমীরের নেতৃত্বে ইসলামী সমাজ গঠনই ইসলাম প্রতিষ্ঠার সঠিক পদ্ধতি। জোট, নির্বাচন বা সশস্ত্র সংগ্রামকে তিনি এ ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।
মানববন্ধন থেকে এপ্রিল ও মে ২০২৬ মাসব্যাপী তিন দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—দেশব্যাপী গণসংযোগ ও প্রচার কার্যক্রম, ২৫ এপ্রিল শাহবাগে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি এবং ৫ মে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ শেষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসূফ আলী মোল্লা এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্বশীল মোঃ নুরুদ্দিন।

Related Articles

মালয়েশিয়া ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে

আলী আহসান রবিঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহামান্য দাতো’ সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য তারেক রহমান ২২ জুন ২০২৬ তারিখে মালয়েশিয়া সফর করেন। ২.

আরও পড়ুন

যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে—সংস্কৃতি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গান হলো ফুলের মতো। যারা ফুলকে ভালোবাসে না তারা যেকোনো নির্মম অপরাধও করতে পারে। পৃথিবীর বুকে মানুষের ভাষা সৃষ্টির আগেই গানের জন্ম হয়েছে।

আরও পড়ুন

জাতীয় চা দিবস-২০২৬: বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেল দেশের শীর্ষ চা বাগান ও প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শীর্ষ চা বাগান, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা

আরও পড়ুন

টেকসই কালচারাল ট্যুরিজম বিকাশে শ্রীমঙ্গলে তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ এর উদ্বোধন করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ শ্রীমঙ্গল সংলগ্ন এলাকার নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার, পণ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি নিয়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল হারমোনি ফেস্টিভ্যাল। ফুলছড়া চা বাগান মাঠ,

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman