নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত, সংঘর্ষ ও অস্থিরতা মূলত আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি দাবি করেন, কুফর ও শিরকের প্রসারের কারণেই বিশ্বজুড়ে এই অশান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইসলামী সমাজ আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনের সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী দায়িত্বশীল আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ।
হুমায়ূন কবীর বলেন, বর্তমানে রাজনীতির নামে বিশ্বব্যাপী মানুষে মানুষে বিভাজন, প্রতিহিংসা ও সহিংসতা বাড়ছে। ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ইরান ও ফিলিস্তিনের সঙ্গে ইজরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘর্ষ বিশ্ব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশেও দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, জ্বালানি সংকট, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ নানা অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে এবং সমাজে অস্থিতিশীলতা বাড়ছে।
রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করলেও তা আল-কুরআনবিরোধী সংবিধানের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। এর ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সামাজিক নৈরাজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সমাধান হিসেবে তিনি আল-কুরআনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের মাধ্যমে ঈমান গ্রহণকারীদের নিয়ে আমীরের নেতৃত্বে ইসলামী সমাজ গঠনই ইসলাম প্রতিষ্ঠার সঠিক পদ্ধতি। জোট, নির্বাচন বা সশস্ত্র সংগ্রামকে তিনি এ ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।
মানববন্ধন থেকে এপ্রিল ও মে ২০২৬ মাসব্যাপী তিন দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—দেশব্যাপী গণসংযোগ ও প্রচার কার্যক্রম, ২৫ এপ্রিল শাহবাগে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি এবং ৫ মে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ শেষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসূফ আলী মোল্লা এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্বশীল মোঃ নুরুদ্দিন।

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো












