Somoy News BD

১০ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে আর সিন্ডিকেট দেখতে চায় না রামরু

মঞ্জুর: বুধবার ১৩ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে সিন্ডিকেট ক্ষতি মূল্যায়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান রামরুর নির্বাহী পরিচালক সি আর আবরার। রামরুর নির্বাহী পরিচালক বলেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি, নতুন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের গোষ্ঠী আবারও সিন্ডিকেট করতে তৈরি করতে পারে। ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে আমাদের আহ্বান থাকবে আবার যদি মালয়েশিয়া শ্রমবাজার চালু হয় আর যেন সিন্ডিকেট না হয়। এটা দেশের সবচেয়ে বড় সেক্টর অভিবাসন খাত। এই খাত অতীতে যেভাবে ধুকে ধুকে শেষ হয়ে গেছে আগামী যেন আর আমরা এদিকে না যাই। আপনারা আর এই পথে আগাবেন না। এটা আপনাদের নিশ্চিত করতে হবে। সি আর আবরার বলেন, ১০ বছরের
বেশি সময় ধরে পুরোনো প্রক্রিয়া চলছে। হোতারা একই রয়েছে কিন্তু অন্যান্য খেলোয়াড়রা বদলেছে, এই দেশে-ওই দেশে। আমরা যদি এই পথে যেতে না চাই তবে কোন পন্থায় যাব, এটা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন তুলতে হবে। যখন চুক্তি হবে কোনো প্রকার গোপনীয়তা থাকা যাবে না। গণতান্ত্রিক উপায়ে উভয়পক্ষ চুক্তি করবে আর জাতিকে সেটা জানাতে হবে। আমরা চাই না, গোপনীয়তার মাধ্যমে কিছু হোক। আমরা স্বচ্ছতা চাই। সরকার যে সিদ্ধান্ত নেন না কেন সেটা অবশ্যই বায়রাসহ সব
স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে করতে হবে, শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের যুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের যে টাকাটা চলে গেছে কত টাকা গেছে, কীভাবে গেছে এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে। আমি শুনেছি, টাকা মালয়েশিয়ায় যায়নি, গেছে দুবাই ও সিঙ্গাপুরে। আর্থিক ক্ষতিতে আমরা খুব বিচলিত। রামরুর নির্বাহী পরিচালক বলেন, নতুন বাংলাদেশে পুরোনো ব্যবস্থা সিন্ডিকেট নির্মূল করতে হবে। আমাদের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়ে গেছে অভিবাসন খাত থেকে। এটাকে ঠিক করতে হলে অতীতের অন্যায় খুঁজে বের করতে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। এখানে বায়রার সদস্যদের বড় রকমের ভূমিকা পালন করতে হবে। এখনই সময় কিন্তু আপনারা যদি সত্যি এই সেক্টরকে গতিশীল করতে যোগ্য নেতৃত্ব চান স্বচ্ছতার মধ্যে আনতে চান। বিএমইটির সঙ্গে বায়রার যে সখ্যতা দেখা যায় মনে হয়, তারা এক পক্ষ আর শ্রমিকরা আরেক পক্ষ। এটা যেন না হয়। যে দোষে দুষ্ট তাকে কেন আপনারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন। সেক্টর হিসেবে নিজেদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন স্বচ্ছতার মধ্যে আনতে। শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে সি আর আবরার বলেন, কর্মীদের ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা চলে গেছে। কিন্তু হওয়ার কথা ৮০ হাজার। কর্মীরা ৮০ হাজারের বেশি প্রমাণ দেখাতে পারবে না। যদি কোনো শ্রমিক ক্ষতিপূরণের যোগ্য তাকে অবশ্যই পাঁচগুণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তার কাগজে কী থাকল না থাকল, সেটা আমরা জানতে চাই না। ভুক্তভোগী যারা রয়েছেন রাষ্ট্রের উচিত সহযোগিতা করা। জনশক্তি রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আগের করা সমঝোতা স্মারক বাতিল করতে হবে। নতুন করে সমঝোতা করতে হবে। আর এখানে কোনো সিন্ডিকেট থাকবে সেটা আমরা চাই না। অভিবাসন ব্যয় কমানো দরকার। আমি মনে করি দেড় লাখ টাকার মধ্যে অভিবাসন নিয়ে আসা সম্ভব। অথচ ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা কর্মীদের থেকে নেওয়া হয়েছে। ওয়্যারবী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সায়েদ সাইফুল হক বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসন সেক্টরে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। অভিবাসন খাতকে কমিশন গঠনের মাধ্যমে সংস্কার করতে হবে। যারা এই সেক্টরে দুর্নীতি করেছে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে হবে। অন্যথায় তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে অভিবাসন ব্যয় কমাতে হবে, যেটা আমরা কমাতে ব্যর্থ হয়েছি। অথচ পাশের দেশ নেপাল-ভারত আমাদের চেয়ে কয়েকগুণ কমে কর্মী পাঠাচ্ছে, তাহলে আমরা কেন পারছি না? বায়রার সাবেক সদস্য মোস্তফা মাহমুদ বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে যারা সিন্ডিকেট করেছেন তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে এই সেক্টরকে ঠিক করা যাবে না। আজকে যে মালয়েশিয়ার ভিসার দাম ১০ হাজার রিঙ্গিতে এসে দাঁড়িয়েছে এটা আমরা তাদের শিখিয়েছি। ভিসার দাম কমাতে হবে। আগের মন্ত্রী খেয়েছে, সালেহীন (সাবেক প্রবাসী কল্যাণ সচিব) খেয়েছে। এখনও সিন্ডিকেট তৎপর, উপদেষ্টাদের সঙ্গে তাদের দহরম-মহরম। এখনও তারা ক্ষমতাধরদের সঙ্গে ওঠা-বসা করছে। সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারম্যান, ডাহমাসি গ্রুপ, নোমান চৌধুরী,  আশরাফ প্রমুখ।

Related Articles

নির্মাণাধীন স্থাপনা দখলের চেষ্টা, হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ নুরুল হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্মাণাধীন স্থাপনা জবরদখলের চেষ্টা, দফায় দফায় হামলা, মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. নুরুল হাসান। বৃহস্পতিবার (৮

আরও পড়ুন

বুটেক্স আইইটি এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা পানিসম্পদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‎বুটেক্স-আইটিইটি ডাই-কেম এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া, শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের টেক্সটাইল পেশাজীবীদের অনুপ্রাণিত করার প্রত্যাশা করেছেন পানিসম্পদ

আরও পড়ুন

শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন,

আরও পড়ুন

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ, বিপিএম সেবা বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman